শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। বৃহস্পতিবার বহুল কাক্সিক্ষত সেই নির্বাচন। দীর্ঘ দেড় দশক পর দেশবাসী একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারও বলছে, স্বাধীনতার পর এবার জনগণ নিশ্চিন্তে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এদিকে প্রচারণা শেষে দেশজুড়ে বাংলাদেশের রাজনীতির পরিবেশ ও ভোটের সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ভোটারদের মধ্যে পরিবর্তনের পক্ষে গণজোয়ারের আভাস দেখা যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনের ভোটাররা অতীতের সকল ভয়-ভীতি, বাধা উপেক্ষা করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিপক্ষে তাদের মতামত দিতে উম্মুখ হয়ে আছে। পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারীরাও এবার রাজপথে ব্যাপক সরব। তরুণ ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

দেশব্যাপী পরিবর্তনের যে আওয়াজ উঠেছে তা স্বীকার করেছেন খোদ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ভোটের সংস্কৃতিতে যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ইতিবাচক সাড়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ। ভোটাররাও আগের থেকে এখন অনেক বেশি সচেতন। সবাই একটি পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করছে।

সূত্র মতে, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে পরপর তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই তিনটি নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচনে ভোটের মাঠ জমজমাট থাকলেও ভোট প্রদানের হারও রীতিমতো বিস্ময়কর ছিল। ক্ষমতায় থাকাকালেও বিরোধীদলকে আস্থায় না নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পতিত দলটি ক্ষমতায় থাকলেও বিরোধী জোটবিহীন নির্বাচনে মানুষকে তেমন নির্বাচনমুখী করতে পারেনি। ওই নির্বাচনে সরকারিভাবে ভোট প্রদানের হার দেখানো হয় ৪১.৮ শতাংশ। একদলীয় ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ২২৩ আসন, জাতীয় পার্টি পেয়েছিল ১১টি আসন এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছিল ৬১টি আসন। অন্যরা পেয়েছিল পাঁচটি আসন। এর আগে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে সরকারিভাবে ভোট প্রদানের হার ছিল ৮৭.১৩ শতাংশ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪৮.০৪ শতাংশ ভোট। পতিত দলটির দোসর জাতীয় পার্টি পেয়েছিল ৭.০৪ শতাংশ ভোট। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিএনপি-জামায়াত জোটবিহীন ওই নির্বাচনে সরকারিভাবে ভোট প্রদানের হার দেখানো হয়েছিল ৪০.০৪ শতাংশ। ওই নির্বাচনে ১৫৪ আসনে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিনাভোটের ওই নির্বাচনে দলীয় ২৩৪ জন জয়ী এমপির মধ্যে ১৫৪ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে করার অভিযোগে নির্বাচনের মাঝপথে ভোট বর্জন করে বিএনপি-জামায়াত জোট। তারপরও সরকারিভাবে ভোট প্রদানের হার দেখানো হয়েছিল ৮০.২ শতাংশ। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ৭৬.৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ২৫৭ আসনে বিজয় দেখানো হয়। সরকারিভাবে পতিত দলটির দোসর জাতীয় পার্টি অবশ্য মাত্র ৫.০৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ বলছে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভোট প্রদানের হার নিয়ে তেমন কোনো বিতর্ক না থাকলেও এরপর টানা তিনটি নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বিএনপি-জামায়াত জোট শুধু বর্জনই করেনি, তারা নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করে ওই দিনও আন্দোলন করেছিল। ফলে কেন্দ্র ছিল ফাঁকা। ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও বিএনপি-জামায়াত জোটবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শুধু আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি আর নাম সর্বস্ব কিছু রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছিল। বিরোধী জোটবিহীন ওই নির্বাচনেও ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের আকর্ষণ করেনি। যার ফলে ওই দু’টি নির্বাচনে বড় জোর ৫ থেকে ৭ শতাংশ ভোট পড়েছিল। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩০/৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

সূত্র মতে, দেড় দশক পর বাংলাদেশে এই প্রথম একটি নির্বাচন হচ্ছে যাতে অংশ নিচ্ছে দেশটির সব প্রধান রাজনৈতিক দল। এই নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কৌতূহল অন্যবারের চেয়ে এবার তুলনামূলকভাবে বেশি। বিভিন্ন দেশের নামকরা মিডিয়া, সংবাদপত্র বা সাময়িকীগুলোতে এবারের এই নির্বাচন নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন বেরিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা অন্যান্য প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশগুলোকে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে অতীতে যেরকম তৎপর ভূমিকায় দেখা গেছে, এবার আরও বেশি দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ক্রমশ কর্তৃত্বপরায়ণ শাসনের কারণে এবারের নির্বাচনটা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তারা বলছেন, এবারও কি আগের ধারাবাহিকতায় কেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকির মাধ্যমে নির্বাচন শেষ হবে? নাকি সবার অংশগ্রহণে ভীতিমুক্ত পরিবেশে জনগণ ভোটাধিকার পয়োগ করবে।

বিদেশী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: গারেথ প্রাইস গণমাধ্যমে বলেছেন, এখানে প্রশ্নটা হচ্ছে একজন গড়পড়তা বাংলাদেশী কী ভাবছে। তারা এটা মনে করছেন কিনা যে বর্তমান সরকার ভোটের যে আয়োজন করছে, তা কি সুষ্ঠু ও নিপেক্ষ হবে? এখন পরিবর্তন দরকার, নাকি তারা মনে করছেন আগের মতোই চলবে?

গতকাল সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। এটি চলেছে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। প্রচারণার শেষ প্রান্তেও প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছেন। বড় রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। প্রচারণার শেষে রাজনৈতিক বোদ্ধাদের কাছ থেকে জানা গেছে, এবার ভোটারদের মধ্যে দেশ পরিচালনার নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের আগ্রহ ও রোমাঞ্চ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই ভোট নিয়ে আলোচনা, হিসাব-নিকাশ ও পরিবর্তনের পক্ষে প্রত্যাশার কথা শোনা যাচ্ছে। অনেক ভোটারই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রত্যাশা করছেন। তবে সব মিলিয়ে জাতীয় নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসায় সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটগ্রহণকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনার পাশাপাশি প্রত্যাশাও।

জানতে চাইলে ঢাকা-৫ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসছে। পৃথিবীর যত বিপ্লব অর্জিত হয়েছে সব বিপ্লবই তরুণদের হাত ধরে এসেছে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে চব্বিশের বিপ্লব এদেশের তরুণ যুবসমাজের হাত ধরেই অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বয়কট করতে তরুণ প্রজন্ম অপেক্ষা করছে। তারা দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত, বৈষম্যহীন ইনসাফ ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এক কল্যাণ ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে ভোটের পুরোনো হিসাব-নিকাশও বদলে যাবে। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে যে ইকুয়েশন ৫০-৫৫ বছর ধরে চলে আসছিল, সেই প্রতিটি ইকুয়েশন এবারের নির্বাচনে ভেঙে গেছে। ইতিমধ্যে আপনারা যদি রাস্তায় যান, বাজার করতে গেলে যে সবজিওয়ালা আছে, রিকশায় উঠলে যে রিকশাওয়ালা মামা আছেন, শিক্ষক-ছাত্র থেকে সব শ্রেণি, পেশা ও কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে যখন আমরা কথা বলি, তখন আমরা সেই পলিটিক্যাল ডেমোগ্রাফি যে পরিবর্তন হয়েছে, সেটা উপলব্ধি করতে পারি। সুতরাং আগের গতানুগতিক হিসাব-নিকাশ যে অমুক দলের ৩০ শতাংশ-অমুক দলের ৪০ শতাংশ, সেই হিসাব-নিকাশ এবার বাংলাদেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকারের মধ্য দিয়ে বদলে দেবে। আসিফ মাহমুদ বলেন, এবারের নির্বাচন নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ বিগত ৫০ বছর যেভাবে চলেছে, আগামী দিনে সেভাবে চলবে কি না? বিগত ১৭ বছরে বাংলাদেশের জনগণ যে কালো অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে গেছে, আগামী দিন সে রকম হবে কি হবে না? আমরা যে অপশাসন, গুম-খুন, মুখ চেপে ধরে রাখা, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতি দেখে আসছি, সেটা সামনের বাংলাদেশে দেখব কি না?

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ভোটার ও নারীরা পাল্টে দিতে পারে ভোটের সকল হিসাব। এই ভোটাররা যে প্রার্থীর দিকে যাবে তারই পাল্লা ভারী হবে বলে সচেতন মহল মনে করে। ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জরিপে আগামী নির্বাচনে নারী ও তরুণ ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরছে। অতীতের মতো দুর্ণীতি, চাঁদাবাজ, লুটপাটকারীদের হাতে দেশকে এবার তুলে দেয়া হবে না। যাদের হাতে দেশ নিরাপদ, তাদেরই ভোট দিবে ভোটাররা।

এদিকে অনেকেই মনে করেন, সংখ্যালঘু মানেই আওয়ামী লীগ। আসলে কি তাই? এবার চিত্র ভিন্ন দেখা যাচ্ছে। জামায়াত খুলনা-১ আসনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় জামায়াত হিন্দু শাখা খুলেছে। বিগত দিনে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হুসাইন সাঈদী পিরোজপুরে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এবার হিন্দুদের ভোটও পরিবর্তনের পক্ষেই যাবে।

নির্বাচন বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ভোটারদের মধ্যে তরুণদের অংশ যদি বেশি হয়, তাহলে তো অবশ্যম্ভাবীভাবে এর একটা প্রভাব পড়বে। তারাই নির্ধারণ করে দেবে ভোটের ফলাফল। তরুণদের বেশিরভাগই জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। তারা এর আগে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। গত তিনটা নির্বাচনে তো ভোট দেওয়ার সুযোগই রাখা হয়নি। এই তরুণরা দেখেছে, তাদের চোখের সামনে সরকারের দুঃশাসন এবং বিরোধী দলের অপরাজনীতি। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তারাও পরিবর্তনের পক্ষে আওয়াজ তুলেছে।

এবার শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল হওয়ায় ৩০০ আসনের পরিবর্তে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে দেশের অধিকাংশ জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন। সারাদেশে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।