ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ ঈদযাত্রায় প্রাণহানী ও জনদুর্ভোগে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কর্ম ও জীবনের তাকিদে মানুষ ঢাকায় দুর্বিষহ জীবন কাটায়। ফলে দুই-তিনদিনের ছুটি পেলেই গ্রামে যাওয়ার জন্য মানুষের ব্যাকুলতা প্রবল হয়ে ওঠে। মা-মাটি ও অকৃত্রিম সামাজিকতায় ফিরে যাওয়ার বাসনা তীব্র হয়ে ওঠে। যান্ত্রিকতা ও ছকে বাঁধা জীবন থেকে মুক্তির ইচ্ছে অত্যুগ্র হয়। মানুষের হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষার সুযোগ নেয় একদল অসাধু লোক। তারা সিন্ডিকেট করে ভাড়ার বৃদ্ধি করে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। রাষ্ট্রের কাজ এই অসাধু লোকদের নিবৃত্ত করা, তাদের দৌরাত্ম্যে লাগাম টেনে ধরা। সরকারের কাছে আমরা সেটাই আশা করি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ ঈদযাত্রায় প্রাণহানী ও জনদুর্ভোগে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কর্ম ও জীবনের তাকিদে মানুষ ঢাকায় দুর্বিষহ জীবন কাটায়। ফলে দুই-তিনদিনের ছুটি পেলেই গ্রামে যাওয়ার জন্য মানুষের ব্যাকুলতা প্রবল হয়ে ওঠে। মা-মাটি ও অকৃত্রিম সামাজিকতায় ফিরে যাওয়ার বাসনা তীব্র হয়ে ওঠে। যান্ত্রিকতা ও ছকে বাঁধা জীবন থেকে মুক্তির ইচ্ছে অত্যুগ্র হয়। মানুষের হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষার সুযোগ নেয় একদল অসাধু লোক। তারা সিন্ডিকেট করে ভাড়ার বৃদ্ধি করে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। রাষ্ট্রের কাজ এই অসাধু লোকদের নিবৃত্ত করা, তাদের দৌরাত্ম্যে লাগাম টেনে ধরা। সরকারের কাছে আমরা সেটাই আশা করি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ ঈদযাত্রায় প্রাণহানী ও জনদুর্ভোগে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কর্ম ও জীবনের তাকিদে মানুষ ঢাকায় দুর্বিষহ জীবন কাটায়। ফলে দুই-তিনদিনের ছুটি পেলেই গ্রামে যাওয়ার জন্য মানুষের ব্যাকুলতা প্রবল হয়ে ওঠে। মা-মাটি ও অকৃত্রিম সামাজিকতায় ফিরে যাওয়ার বাসনা তীব্র হয়ে ওঠে। যান্ত্রিকতা ও ছকে বাঁধা জীবন থেকে মুক্তির ইচ্ছে অত্যুগ্র হয়। মানুষের হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষার সুযোগ নেয় একদল অসাধু লোক। তারা সিন্ডিকেট করে ভাড়ার বৃদ্ধি করে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। রাষ্ট্রের কাজ এই অসাধু লোকদের নিবৃত্ত করা, তাদের দৌরাত্ম্যে লাগাম টেনে ধরা। সরকারের কাছে আমরা সেটাই আশা করি।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ ঈদযাত্রায় প্রাণহানী ও জনদুর্ভোগে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কর্ম ও জীবনের তাকিদে মানুষ ঢাকায় দুর্বিষহ জীবন কাটায়। ফলে দুই-তিনদিনের ছুটি পেলেই গ্রামে যাওয়ার জন্য মানুষের ব্যাকুলতা প্রবল হয়ে ওঠে। মা-মাটি ও অকৃত্রিম সামাজিকতায় ফিরে যাওয়ার বাসনা তীব্র হয়ে ওঠে। যান্ত্রিকতা ও ছকে বাঁধা জীবন থেকে মুক্তির ইচ্ছে অত্যুগ্র হয়। মানুষের হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষার সুযোগ নেয় একদল অসাধু লোক। তারা সিন্ডিকেট করে ভাড়ার বৃদ্ধি করে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। রাষ্ট্রের কাজ এই অসাধু লোকদের নিবৃত্ত করা, তাদের দৌরাত্ম্যে লাগাম টেনে ধরা। সরকারের কাছে আমরা সেটাই আশা করি।

নতুন সরকারের সড়ক যোগাযোগমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়ে ঈদ যাত্রায় নাগরিক ভোগান্তি দুর করতে পারেন নাই। নির্মম দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পুরোনো সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আশা করে, সরকার এবং বিশেষ করে মন্ত্রী মহোদয় কথার ফুলঝুরি ও বাগাড়ম্বর না করে সমস্যা যথার্থভাবে চিহ্নিত করবেন এবং কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, ঈদের আগে বাড়িতে যাওয়া এবং কর্মস্থলে ফেরত আসার যাত্রা মিলেই ঈদের যাত্রা। এর প্রথমাংশ শেষ হয়েছে। স্কুল ছুটি থাকার কারণে ঈদে বাড়িতে যাওয়ার সময় মানুষ পর্যায়ক্রমে ঢাকা ছেড়েছে। ফিরতি যাত্রায় সেই সুযোগ থাকবে না। ফলে চাপ পড়বে একত্রে। সেই চাপ সামলানোর জন্য সততার সাথে কার্যকর উদ্যোগ নিন।