ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ডাকসু নির্বাচনে বামজোট মনোনীত ‘অপরাজেয় ৭১’-এর নারী প্রার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আলী হোসেন নামে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা ভাইরাল হলে ছাত্রদল ও বামপন্থী সংগঠনগুলো আলী হোসেনকে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করে।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রশিবির। তারা বলছে, এটি তাদের বিরুদ্ধে একটি প্রোপাগান্ডা।

ছাত্রশিবিরের সঙ্গে আলী হোসেনের কোনো সম্পর্ক নেই। আলোচনা-সমালোচনার মুখে ফেসবুক লাইভে এসে আলী হোসেন নিজেও দাবি করেন যে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এস এম ফরহাদ গণমাধ্যমে জানান যে, তারা অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে মধুর ক্যান্টিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এস এম ফরহাদ বলেন, ‘যিনি এই অপরাধ করেছেন, তাকে শিবির নেতা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

আমরা ঘটনার পরপরই প্রশাসনকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বাজে ভাষা ব্যবহারের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।’

তিনি আরো বলেন, ‘মাগরিবের পর থেকে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য আমরা প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগপত্র দেব।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে ঢাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।