বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা ইউনিটের সদস্য (রুকন) ও সাবেক চিফ প্রসিকিউটর এডভোকেট তাজুল ইসলামের পিতা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুল হক খান ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ মার্চ সন্ধ্যা পৌণে ৬টায় ৮৫ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি অনেক যাবৎ হৃদরোগে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী, ৪ পুত্র ও ১ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন।

শোকবাণী: ফজলুল হক খানের ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান গত বৃহস্পতিবার শোকবাণী দিয়েছেন।

শোকবাণীতে তিনি বলেন, ফজলুল হক খানের ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।

তার ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জামালপুর জেলা শাখার আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ও জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট আব্দুল আওয়াল।

শোকবাণীতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা মহুমের সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন, তাকে ক্ষমা করে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমীন।