ইবরাহীম খলিল, আব্দুল গনি, রাফিক সরকার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেছেন, উত্তরবঙ্গের মাটি উর্বর, মানুষ পরিশ্রমী। উত্তরবঙ্গকে ইচ্ছে করে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। দশদল ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে যাবে। এই উত্তরবঙ্গ হবে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী।
গতকাল শুক্রবার পঞ্চগড় জেলার ঐতিহাসিক চিনিকল মাঠে নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। দেশের সর্ব উত্তরের এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত জেলা পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। আরও বক্তব্য রাখেন, পঞ্চগড়-২ বোদা-দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০ দলীয় জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. শফিউল আলম ওরফে সফিউল্লাহ সুফি ও পঞ্চগড়- ১ সদর, তেতুলিয়া ও আটোয়ারি আসনের ১০ দলীয় জোট ও জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি মনোনিত প্রার্থী মো. সারজিস আলম।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপা সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এবিএম জুলফিকার আলম নয়ন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পঞ্চগড় জেলা সভাপতি হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি বিডিপির জেলা সভাপতি মোহাম্মদ মাসুদ, এনসিপির বোদা উপজেলা সমন্বয়কারী শিশির আসাদ, এলডিপি জেলার সাধারণ সম্পাদক আওরঙ্গজেব উজ্জল, ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা শাখার সভাপতি মো. রাশেদ ইসলাম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. দেলোয়াা হোসাইন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল বাসেত প্রমুখ। মাওলানা হাসানুর রহমানের অর্থসহ কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় জনসভা। সঙ্গীত পরিবেশন করে ডাহুক সাংস্কৃতিক সংসদ।
আমীরে জামায়াতের উত্তরবঙ্গের প্রথম সমাবেশ শুরু হয় পঞ্চগড়-১ আসনের নির্বাচনী সমাবেশের মাধ্যমে। সমাবেশ শুরুর আগেই ঐতিহাসিক চিনিকল মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আশপাশের রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা যায় অগণিত মানুষকে। এবার দশ দলের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে বলে অনেককে বলতে শোনা যায়। এরপর জামায়াতের আমীর দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
পঞ্চগড়ের নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে উত্তরবঙ্গকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের সাথে সৎ মায়ের সন্তানের মতো আচরণ করা হয়েছে। এই উত্তরবঙ্গ আমাদের কলিজার অংশ। এই উত্তরবঙ্গ বাংলাদেশকে খাদ্য এবং পুষ্টি সরবরাহ করে। এ অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে ইচ্ছে করে। উত্তরবঙ্গে আর কোন বেকার দেখতে চাই না। আমরা সকলের কাছে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। আমরা প্রত্যেক যুবক যুবতি এবং নাগরিককে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে দেখতে চাই। গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই। চিনিকল খুলে দিতে চাই। আমাদের কাছে কার্ড নাই। আপনারাই আমাদের ভালবাসার কার্ড। আপনাদের ভোটে একটা ভালবাসা কার্ড চাই। আপনারা সমর্থন ভালবাসা দিয়ে আগামীতে বেকার এবং দারিদ্রমুক্ত একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় আমরা পরেরধনে পোদ্দারি করবো না। আমরা নারী পুরুষ মিলে বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এতো দিন আওয়াজ উঠতো টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া। এখন থেকে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ আওয়াজ উঠবে।
তিনি উল্লেখ করেন, উত্তরবঙ্গেও চারটা নদী আল্লাহ নিয়ামত হিসেবে দিয়েছিলেন। তিস্তা ধরলা ব্রহ্মপুত্র এবং করতোয়া। আজকে আসতে আসতে দেখলাম নদীগুলো মরে মরুভূমি হয়ে গেছে। ওরা নদীগুলো কঙ্গাল হয়ে গেছে। নদীগুলো খুন করেছে। ওরা বসন্তের কোকিল। বসন্তে এসে কুহু কুহু ডাকে। এরপর আর খোঁজ পাওয়া যায় না। আমরা ছিলাম আমরা আছি আমরা থাকবো ইনশা আল্লাহ। আপনাদের ফেলে আমরা কোথাও যাবো না ইনশা আল্লাহ। আপনাদের নিয়ে প্রিয় বাংলাদেশকে গর্বের বাংলাদেশ গড়বো।
জামায়াতের আমীর বলেন, আপনাদের সমর্থন ভালবাসা এবং ভোটে আমাদের পার্লামেন্টে পাঠালে আমরা আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, শুধু নদীর জীবন ফিরে আসবে না; মানুষের জীবন প্রাণ চঞ্চল হয়ে উঠবে, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদল যাবে। এ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান ৬৪ জেলায় মেডিকেল হবে। পঞ্চগড়ে মেডিকেল কলেজ হবে। আমরা চুরি করা টাকা পেট থেকে বের করে আনবো। আমরা ক্ষমতায় গেলে সর্বশক্তি দিয়ে আপনাদের ঋণ শোধ করবো। তিনি বলেন, সবাই মিলে কাজ করলে এই দেশ উন্নত দেশে পরিণত হতে বেশি দিন লাগবে না। পাঁচটা বছরই যথেষ্ট হবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি তাহলে আর পিছিয়ে থাকবো না। তিনি দশ দলীয় জোটের পক্ষে দুইজন প্রার্থীর হাতে প্রতীক তুলে দেন। তিনি বলেন, আমরা দেশের মালিক নয়, সেবক হতে চাই। আপনার ভোট ডাকাতি করতে এলে রুখে দিতে হবে। অবিচার দুর্নীতি চাদাবাজি বিদায় দিয়ে ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক আধিপত্যমুক্ত না করা পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে। আমরা থামবো না। নতুন কোন দুর্বৃত্ত নতুন পোশাক নিয়ে আমাদের সামনে যেন না আসতে পারে সে জন্য মহান প্রভূর সাহায্য কামনা করেন।
জামায়াতের আমীর আরও বলেন, দশ দল ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি দখল চাঁদাবাজি বন্ধ করে ন্যায় ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ করতে হলে ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে লাগবে। ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর’ যে জন্য স্লোগান উঠেছিল সেই বাংলাদেশ গড়তে হলে তাদের লাগবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য গণভোটে হ্যাঁ বলার জন্য সবাইকে ১২ তারিখ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী মো. সফিউল আলম বলেন, জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল পরিবর্তন। সারাদেশে পরিবর্তন চাই। সবাই মিলে দেশকে মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আল্লাহ বিজয়ী করলে পঞ্চগড়ে সারের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিবো। মেডিকেল স্থাপন করবো। আমি সরকারী ভাতাসব গরিবদের মধ্যে বিতরণ করবো। বৈষম্য ও চাঁদাবাজীকে প্রশ্রয় দিবো না।
পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী মো. সারজিস আলম মঞ্চে উঠে ২৪’র গণ অভ্যূত্থানের স্লোগান দেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হচ্ছে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ধাপ। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা এগিয়ে যাবো কি-না। আমাদের রুখে দিতে হবে তাদেরকে যারা দিনে এক কথা বলে আর রাতের বেলায় অন্য সিদ্ধান্ত নেয়। সবার সাথে দেখা হবে রাজপথে লড়াইয়ে।
রাশেদ প্রধান বলেন, আমরাই বাংলাদেশ; যেই বাংলাদেশে নতুন করে কোন জালিমের উত্থান হতে দেওয়া হবে না। যারা সংস্কার রুখে দিতে চায়, পাথর দিয়ে মানুষ মারে তাদের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া ঈমানী দায়িত্ব। তিনি বলেন, ১০ দল ক্ষমতায় গেলে পঞ্চগড়ে উন্নত বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে। সাথে হবে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কৃষকদের সুদ মওকুফ করে দেওয়া হবে।
ঠাকুরগাঁও : গতকাল শক্রবার ঠাকুরগাঁও জেলা সরকারী বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধানের সভাপতিত্বে এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জামায়াত আমীর ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন, সাবেক জেলা আমীর ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হযরত মাওলানার আন্দুল হাকিম, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা দেলোয়ার হোসেন ও ঠাকুরগাও -৩ আসনের প্রার্থী মাস্টার মিজানুর রহমান, পঞ্চগড়- ১ সদর, তেতুলিয়া ও আটোয়ারি আসনের ১০ দলীয় জোট ও জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি মনোনিত প্রার্থী মো. সারজিস আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, হিন্দু নেতা যতিশ বাবু, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি এনসিপির জেলাসভাপতি মো. রফিকুল আলম, খেলাফত মজলিসের জেলাসভাপতি মাওলানা সাঈদ আহাম্মদ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপা সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।
মাওলানা মীর রুহুল আমিনের অর্থসহ কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় জনসভা। সমাবেশ শুরুর আগেই জনসভার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আশপাশের রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা যায় অগণিত মানুষকে। এবার দশ দলের পক্ষে গণ জোয়ার তৈরি হয়েছে বলে অনেককে বলতে শোনা যায়। এরপর জামায়াতের আমীর দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গকে বলা হয় বাংলাদেশের শস্যভান্ডার। তিনভাগের একভাগ খাদ্য এখানে উৎপাদন হয়। এখানকার মানুষ গরিব হতে পারে না। এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রাখা হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবেই। এখানে নেতা এসেছে নেতা গেছে। নেতাদের নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মানুষের যা হওয়ার হয়নি।
আমীরে জামায়াত বলেন, দুর্নীতি দু:শাসন না থাকলে উত্তরবঙ্গ কৃষির রাজধানীতে পরিণত হতো। সহযোগিতা করা হলে এই অঞ্চলে তিনগুণ বেশি ফসল উৎপাদন হবে। তিনি বলেন, ভাবছেন, একগুণেরই দাম পাই না। তিনগুণ করলে কি হবে। আমরা বলবো আপনাদের ফসল সংরক্ষণ করা হবে। তিনি গ্যারান্টি দেন দেশ ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে মধ্যস্বত্বভোগীরা কৃষকদের ভাগ্য নিয়ে কামড়াকামড়ি করতে পারবে না। আপনারা ন্যায্য মূল্য পাবেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন দশদল নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের সব জেলায় বিশেষায়িত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। তাদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে যেতে হবে না। আমরা বঞ্চিতদের দুয়ারে সবার আগে উন্নয়ন দেবো।
তিনি উত্তরবঙ্গের মানুষকে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেককে আপনারা ভোট দিয়েছেন। আপনাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। এবার মুক্তি পাগল ১০ দলের জোটকে ভোট দিন। আমরা মিলেমিশে বাংলাদেশ গড়বো। আপনারা এবার এমন মানুষকে ভোট দেন যারা দুর্নীতি করবে না। দুর্নীতিকে আশ্রয় দিবেন না। সকল মানুষের জন্য ন্যায়বিচার হবে সবার জন্য। বিচার বিভাগ হবে সম্পূর্ণ স্বাধীন। এসময় তিনি ৫৪ বছরের বস্তাপঁচা রাজনীতি বদলাতে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে পাশ করানোর আহ্বান জানান।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে দশদল নির্বাচিত হলে জনগণের বিজয় হবে। আমরা একক দলের শাসন চাই না। জনগণের শাসন চাই। যারা আধিপত্যবাদকে মেনে নিবে না। এমন সব দল নিয়ে আমরা কাজ করবো। সেই বিজয়ের জন্য মানুষ অপেক্ষা করছে বলেও মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে আপনারা ঐসব মানুষদের নির্বাচিত করেন, যাতে আর কোন আলেম ওলামাকে স্বৈরাশাসনের কাছে নির্যাতিত হতে হবে না। নির্বাচিত হলে গোটা উত্তরবঙ্গকে বাংলাদেশের কৃষির রাজধানী বানাবো। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নিত করবো। আমরা আর বেকারত্বেও কষ্ট দেখতে চাই না। উন্নত শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকটি ঘরকে ইন্ডাষ্ট্রিতে পরিণত করবো। চীনা জাপানিরা পেরেছে। আমরাও পারবো। আমরা হাতগুলো গড়ে দিবো। অদক্ষ জনশক্তিকে ট্রেইনিং দিবো। ১০ হাজার টাকা করে কোষাগার থেকে বের করবো। বেকার ভাতা অপমানের। আমরা সম্মানের কাজ তুলে দিবো। জাতিকে আমরা বেকার বানাতে চাই না।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে তিনটি নির্বাচনী আসন আছে। সবাইকে কাজ করতে হবে। মা বোনদের জাগিয়ে তুলতে হবে। আমরা যুবকদের আকাংখার বাংলাদেশ গড়বো। তাদের কর্মস্থল নির্মাণ করবো। সবাই মিলে মিলেমিশে দেশ গড়বো। দেশের মানুষ এগুলোই দেখতে চায়। আর কিছুই করতে হবে না। আজকে আমি যাদের পরিচয় করাবো তারা আপনাদের সম্পদের পাহারাদার হবে। চোর হবে না।
জামায়াতের আমীর সবশেষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মাওলানার আন্দুল হাকিম ও মাস্টার মিজানুর রহমানের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দিয়ে জনগণের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিবে। আমরা দেখেছি বাংলাদেশ যখন উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করে তখন শকুনরা বাধা হয়ে দাঁড়া। কতিপয় চাঁদাবাজদের হাতে উন্নয়ন কুক্ষিগত হয়। আগামীতে সকল ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে আমরা এগিয়ে যাবোই।