রংপুর অফিস, তারাগঞ্জ সংবাদদাতা : রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অন্যতম কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের ফলে সরকারি দলের নেতার্কমীরা সহ আজ আমরা সবাই মুক্ত বাতাসে কথা বলতে পারছি। ঐসব বীর শহীদদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সাথে আমাকে নির্বাচিত করে মহান জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেয়ায় বদরগঞ্জ এবং তারাগঞ্জ উপজেলার আপামর মানুষের কাছেও আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি গতকাল শুক্রবার রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার তারাগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় ওয়ারেছিয়া সিনিয়র মাদরাসা প্রাঙ্গণে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ উত্তর গণসংবর্ধনা ও ঈদ র্পুণমিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলার সহযোগী বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি সহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলামকে ফুলল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিপুলভাবে সংবর্ধিত করেন। এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন বদরগঞ্জ এবং তারাগঞ্জ উপজেলার আপামর মানুষের আকুন্ঠ ভালবাসা ও সর্মথনে আজ আমি জাতীয় সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি। তাঁদের নিকট আমি চির কৃতজ্ঞ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই এলাকার জনগণের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎর্সগ করতে চাই।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগর শূরা সদস্য শাহ্ মোহাম্মদ নুর হোসাইন, তারাগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব আলী এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। এর আগে এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি গতকাল শুক্রবার দুপুরে তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুটি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড় মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করেন এবং এলাকাবাসীর সাথে ঈদ উত্তোর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তিনি এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, সরকারি বরাদ্দের প্রতিটি অর্থ সহায়তা সরাসরি জনগণের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি।এর মধ্য দিয়ে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কাজ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হবে। তিনি বলেন, সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হলেই মানুষের কল্যাণ সাধিত হবে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ধরে রাখতে সবাই মিলে একটি উন্নত, ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার কাজে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের কল্যাণ করতে হবে। আমাদের আত্ননির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে কল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে।