দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী সহিংসতা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনার বিষয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের ব্রিফ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

ব্রিফিংয়ে গত রাত থেকে ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয় তিনি ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেন। এতে ৭টি আসনে আচরণবিধি লংঘনসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী)র সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহায়মেন আল জিহান-এর বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতসহ ১০ দলের নেতাকর্মীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে, ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং নির্বাচনী কর্মীদেরকে জোর করে বিএনপির প্রচার মিছিলে যেতে বাধ্য করছে। গাজীপুর-৫ আসনে পিভিসি বিলবোর্ড ব্যানার বড় সাইজের করছে, যা আচরণবিধি লঙ্ঘন।

বিএনপির নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় জামায়াতের নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে, হামলা করছে এবং যানবাহন ভাঙচুর করছে ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। নারী কর্মীদের মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছে এবং ‘চোর ধরা পড়েছে’ বলে মব তৈরি করছে।

হবিগঞ্জ-৩ আসনে দলীয় প্রধান ছাড়া অন্যান্য প্রয়াত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ছবি ব্যবহার করছে, যা আচরণবিধি লঙ্ঘন। ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াতের ফেস্টুন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুর-১ আসনের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নে জামায়াতের নারী কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। লক্ষ্মীপুর-৩ (ভবানীগঞ্জ) ড. রেজাউল করিমের নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী বিতরণ ও ফেস্টুন লাগানোর সময় স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাধা প্রদান করেন এবং জামায়াতের কর্মীদের আহত করেন। কুমিল্লা-৯ আসনের মৈশাতুয়া ইউনিয়নের শমসেরপুর গ্রামে গণসংযোগ চলাকালে জামায়াতকর্মী খলিলুর রহমান লিটনকে আহত করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।