ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন ঘেরাও, আদালতে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করা আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চরিত্রের পুনঃমঞ্চায়ন।’
সোমবার দুপুরে ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাদিক কায়েম আরও উল্লেখ করেন, ‘ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক যাত্রা বাধাগ্রস্ত করে একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। সব রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত আদালত এবং গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে শাকসু নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে তা ছাত্রসমাজ কোনোভাবে মেনে নেবে না।’
এদিকে এর আগে ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবিদুল ইসলাম খান এক ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এখনো পর্যন্ত জুলাই চেতনাকে বিক্রি করে এ রাষ্ট্রে এক পয়সারও অনধিকার চর্চা করিনি। বিশ্বাস রাখুন, ভবিষ্যতেও করবো না। দুঃখজনক হলেও তিক্ত সত্য যে, জুলাই ফ্রন্টলাইনার মেক্সিমাম তরুণ সহযোদ্ধাসহ তাদের লোকজনেরা অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রের সকল স্তরে সব ধরনের দখলদারিত্ব চালিয়েছেন। ফলশ্রুতিতে তাদের নৈতিকতার যে অনিবার্য পরাজয় সেটা ঘটে গেছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এসেছে, এখন নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবির আশঙ্কায় জনতার মুখোমুখি না হয়ে কেউ কেউ আবার নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জনতার আকাঙ্খাকে উপেক্ষা করে ক্ষমতার লোভ হাসিনাকে কোথায় নামিয়েছে, নিশ্চয়ই ভুলে যাননি। শুধু এতটুকুই মনে রাখবেন, এক বিন্দুও ফায়দা এবার লুটতে পারবেন না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতাকে প্রশ্ন করুন। নিজেকেই নিজের কাছে কেমন অনুভব হয় একটু দেখুন! জুলাইয়ের হাজারো ছাত্রজনতার পবিত্র শহীদি রক্তের বিপরীতে যে স্বার্থের লড়াইয়ে নেমেছেন সেটা রক্তস্নাত বাংলাদেশের স্বার্থ নয়।’
আবিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন ‘সুতরাং বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে সময় নিন, ভুলগুলো শুধরে তওবা পড়ে নিজেদের পুনরায় তৈরি করার চেষ্টা করুন। তরুণদের প্রতি জাতির সহমর্মিতা ও স্নেহকে বিরক্তিকর করে তুলবেন না, প্লিজ।’