বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় দেশের বিভিন্ন স্থানে গত শনিবার হামলা বাধাদান ও জামায়াতের কর্মীর বাড়িতে অগ্মিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এসব হামলা থেকে বাদ যাচ্ছেন না জামায়াতের মহিলা কর্মীরাও। এদিকে চট্টগ্রামের বাঁচাখালীতে জামায়াত কর্মীদের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক হয়েছেন অভিযুক্ত ছাত্রদলের নেতা শাকিল। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হামলায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা : নাটোরের বড়াইগ্রামে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা চালানোয় মিজান সরকার নামে এক জামায়াত কর্মীর বাড়িতে রাতের অন্ধকারে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শনিবার ভোর চারটার দিকে উপজেলার ৭নং চান্দাই ইউনিয়নের দাসগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের দায়ী করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ জামায়াত কর্মী মিজান সরকার। তিনি দাসগ্রামের ফজলুল হক সরকারের ছেলে। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি জানান, তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী। তিনি নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে যুবদল নেতা তারিকুল ইসলাম ও জহির তাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করাসহ পরবর্তীতে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। শনিবার ভোর চারটার দিকে তার শোবার ঘরের টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে জ্বলন্ত কাঠ দিয়ে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন লাগার বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত বের হয়ে তিনি ২-৩ জন ব্যক্তিকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন। আগুনে তার বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ধর্মীয় বই-পুস্তক পুড়ে যায়। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। খবর পেয়ে সকালে জামায়াত নেতারা সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্থ মিজান সরকারের পিতা ফজলুল হক জানান, জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় এর আগে যুবদলের লোকজন আমার ছেলেকে মারপিট করাসহ তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে। তারাই আমার ছেলের ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে আমি মনে করি। তবে চান্দাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনার সাথে আমার দলের কোন নেতাকর্মী জড়িত নয়।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম বলেন, বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুক্তাগছা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা : ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার মিছিলে হামলা করার অভিযোগ বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার বড়গ্রাম ইউনিয়নের বাজে মানকোন এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দের দাঁড়িপাল্লা মার্কার মিছিলে হামলা করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় ওই ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতরা মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা যায়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে বড়গ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ডাঃ মামুনুর রশিদ।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামী ২নং বড়গ্রাম ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ৬নং ওয়ার্ডে একটি মিছিল বের হয়ে বাজে মানকোন (বাজিত খোড়ার বাড়ির সামনে) পৌছলে সেখানে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা বিএনপি কর্মী মোঃ হরুন অর রশিদ, আকরাম হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, আনছর আলী, রিয়াজুল ইসলাম, রোমান মিয়া, আব্দুস সালামসহ একটি সংঘবদ্ধ দল বাঁশের লাঠি সোটা নিয়ে মিছিলকারীদের ওপর হামলা করে। এতে মিছিলে অংশ নেওয়া বড়গ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ জহিরুল ইসলাম, জামায়াতকর্মী মোঃ মঞ্জুুরুল ইসলাম, দাউদ আলী, খালিদ রায়হান, মোঃ আব্দুল কাদির আহত হন। আহতরা মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুক্তাগাছা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মোজাহিদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফ উদ্দিন আহমেদ বাবুল জানান, হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। জামায়াতের মিছিলের খবর পেয়ে আমি নেতাকর্মীদের বলে দিয়েছি আজকে ওই ওয়ার্ডে আমাদের কোন কর্মকান্ড নেই। তিনি জামায়াত কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন জামায়াত মিছিল শুরুর আগেই আমাদের এক যুবদলের কর্মীকে তারা মেরেছে। পরবর্তীতে তারা মূল মিছিল নিয়ে বিএনপির অফিসে এসে আমাদের ৫/৬ জন লোককে আহত করেছে।

এব্যাপারে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফুর রহমান জানান, মিছিলে হামলার ঘটনাটি শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তারা অভিযোগ দিয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র জানান, অভিযোগ এখনও আমার হাতে পৌছেনি। তবে অভিযোগ হয়েছে আমি জেনেছি ওসি সাহেবের মাধ্যমে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ঝিকরগাছা (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচর্নী প্রচারনায় কর্মীদের উপরে হামলার প্রতিবাদ মহিলাদের নিয়ে এক বিক্ষোভ মিছিল করেছে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। গতকাল বিকাল ৩ টায় আলিয়া মাদ্রাসা চত্ত্বরে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল আলিম এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন যশোর -২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসেনর জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা: মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ।

ঝিকরগাছা উপজেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আরশাদুল আলম,অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন

চৌগাছা উপজেলা আমীর মাওলানা গোলাম মরশেদ,সেক্রেটারি মাওলানা নুরুজ্জামান, কর্ম পরিষদ সদস্য মাষ্টার কামাল আহম্মেদ, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, ঝিকরগাছা উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক হারুন আর রশীদ, শেখ আব্দুর রকিম, অধ্যাপক মশিউর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগ সভাপতি মো: আবিদুর রহমান, পৌর আমীর আব্দুল হামিদ, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক,মাওলানা ইমদাদুল হক, অ্যাডভোকেট হাবিব কায়সার, মহিলা জামায়াত কেন্দ্রীয় ফিরোজা ইয়াসমিন বিউটি,সেলিনা বেগম,ঝিকরগাছা উপজেলা নেত্রী তহমিনা খাতুন শিখা, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য বিলকিস, শাহিনা, মাহফুজা খাতুন,মর্জিনা খাতুন, জোৎস্না, বিউটি , সহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী।

জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১ টার দিকে গ্রামে মহিলা জামায়াতের ১০-১২ কর্মী দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা মহিলাদের বাধা প্রদান করে। তাঁদের হেনস্থা করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

খবর পেয়ে জামায়াত যুব বিভাগ ও শিবিরের ৮-১০ জন নেতা কর্মী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে ভোটের প্রচারে বাধা প্রদানকারী বিএনপি কর্মীদের সাথে কথা বলে নিবৃত করেন, ক্যামেরায় ঘটনার ছবি তোলার চেষ্টা করলে বিএনপি কর্মীরা মুস্তাকিমের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।

মোবাইল উদ্ধার করতে গেলে ১২-১৫ জনের সংঘবদ্ধ দল ধারালো দা, এসএস পাইপ, লোহার রড, বাঁশ হাতে নিয়ে আক্রমণ করে। মোবাইল ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাণীগ্রাম এলাকায় মহিলা জামায়াতের কর্মসূচি ও জামায়াত কর্মীদের দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানে এক ছাত্রদল নেতাকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম মো. শাকিল। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের একজন সংগঠক বলে জানা গেছে। শাকিল সাধনপুর ইউনিয়নের বাণীগ্রাম নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং আজিজুর রহমান ওরফে নওশা মেস্ত্রির ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বাণীগ্রাম বৈলগাঁও এলাকায় মহিলা জামায়াতের একটি প্রচারণা চলাকালে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে পরবর্তীতে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল করায় নতুন বাজার এলাকায় জামায়াত কর্মীদের একাধিক দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে গেলে বাঁশখালী সেনা ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে মো. শাকিলকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দোকান ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বাঁশখালী সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলমত নির্বিশেষে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নাশকতা প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।’আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে গণসংযোগে গিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সহ ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড গডিয়াইশে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের পক্ষে যুবদল কর্মী আরিফ হোসেন ও সঙ্গীয় নেতাকর্মী লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করতে গেলে উক্ত এলাকার ০৯ নং ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম রবিকে না জানিয়ে তার এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করায় উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রবিউল হোসাইন রবি, বিএনপি নেতা মোঃ আরিফ, রাসেল, নাজমুল, রাহাত, ইউসুফ, রেজাউল সহ ৬ থেকে ৭ জন যুবদল নেতাকর্মী আহত হয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আহতদের জোরারগঞ্জ থানাধীন মস্তান নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়।

আহত রবিউল হোসেন রবির কাছে বিষয়টি জানতে বারবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন বলেন, আহতদের কেউ মারাত্মক জখম হয়নি। সাধারণ জখম প্রাপ্ত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সবাই বাড়িতে অবস্থান করছে।