আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৩ (সদর–হাইমচর) আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা দিন দিন তীব্র হয়ে উঠছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,৩৭,৪৯২ জন, যা এটিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসনে পরিণত করেছে। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি, ভোটারদের মনোভাব ও রাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে—ভোটের দৌড়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা সেক্রেটারি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও এ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ, যিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন, তিনি পড়েছেন জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের চাপে। দলীয় অভ্যন্তরীণ বিভক্তি, স্থানীয় নেতৃত্বের টানাপোড়েন এবং ভোটারদের একটি অংশের অনাস্থা তার প্রচারণায় প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, এ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে এবং আইনজীবী হিসেবে এলাকার মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে তিনি একটি সুসংগঠিত ভোটব্যাংক গড়ে তুলেছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার, সচেতন নাগরিক ও পরিবর্তনমুখী ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা চোখে পড়ার মতো।

চাঁদপুর সদরের এক তরুণ ভোটার বলেন, “আমরা এবার নতুন মুখ নয়, নতুন রাজনীতি চাই। যিনি জনগণের কথা বলেন, জনগণের পাশে থাকেন—তাকেই ভোট দেব।”