সুনামগঞ্জ জেলা ও দিরাই সংবাদদাতা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন গত ৫৪ বছরে দেশে অসংখ্য নেতা তৈরি হয়েছে, তারা মানুষকে অনেক আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পরেই জনগণের কথা ভুলে গিয়েছে। এখানকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কেউ এগিয়ে আসেনি। ভাগ্য উন্নয়ন ঘটাতে হলে দাঁড়িপাল্লায় এডভোকেট শিশির মনিরকে ভোট দিতে হবে। সে কথা ও কাজে মিল রাখবে। গতকাল শুক্রবার দুপুর দুইটায় দিরাইয়ে যুব ও গণসমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেন নির্বাচনের আগেই এলাকায় তিনি (শিশির মনির) যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন, নির্বাচিত হলে কেমন উন্নয়ন করবে তা আপনারাই বলুন।
বাংলাদেশে যতজন নির্বাচিত হবে তার মধ্যে শিশির মনির সবচেয়ে বেশি কাজ করবে। সাদিক কায়েম বলেন, যিনি দিরাই-শাল্লায় দাঁড়িপাল্লার কান্ডারি হয়েছেন তিনি শুধু দিরাই-শাল্লা নয়,তিনি সারা বাংলাদেশের নেতা। তিনি ইতিমধ্যেই রাস্তাঘাট নির্মাণ, ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন, ফ্রী চক্ষু চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজ করেছেন। তিনি বলেন, শিশির মনির একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতি করেছেন। এদেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়িয়ে তাদের পক্ষে কথা বলেছেন এবং গত জুলাই আন্দোলনে নীতিনির্ধারক হিসেবে মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়কদের সাথে যোগাযোগ রেখেছিলেন। সাদিক কায়েম বলেন, শিশির মনির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে দিরাই ও শাল্লাকে বাংলাদেশে রুল মডেল হিসেবে তুলে ধরবেন।
দিরাই উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমীর মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে, জামাত কর্মী ইমরান হোসাইন ও সিলেট ইবনেসিনা হাসাপাতালের ইনচার্জ মো: রেজাউল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই-শাল্লা সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক সাধারণ মোহাম্মদ শিশির মনির। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম দিরাই-শাল্লার যোগাযোগ উন্নয়ন, প্রত্যেকটা ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরের সাথে সংযোগ সড়ক স্থাপন, ৪৫ হাজার বেকারত্বদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা বলেন শিশির মনির।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা ও মোঃ শাহীনুর রহমান। এছাড়াও দিরাই ও শাল্লা জামায়াত ইসলামের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের সহস্রাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।