এইচ এম আকতার যুক্তরাষ্ট্র থেকে : মুনার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন বলেছেন, দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখুন। যদি বাংলাদেশ ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র কায়েম হয় তাহলে এটি হবে গোটা বিশ্বের জন্য রোলমডেল।

গত বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটায় মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা (মুনা) আয়োজিত ইমাম ও আলেমদের সম্মানে মতবিনিময় সভা ও ডিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

মুনার এসিস্টেন্ট এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ওলামা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড: রুহুল আমিন এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, মুনার সাবেক প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদ নুরুজ্জামান, হারুন উর রশিদ, মুনার ন্যাশনাল ডাইরেক্ট আরমান চৌধুরী, মুফতি লুৎফর রহমান, ইকনার ইমাম সাইদুর রহমান, আকরাম কাছরা, ইমাম মঞ্জুরুল কবির, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা আতাউর রহমান, কাজী মাসুদুর রহমান, ওয়ালীউর রহমান প্রমুখ।

ইমাম দেলোয়ার হোসাইন বলেন, দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনে আহবান জানিয়ে সুরা হাদিদের একটি আয়াত উল্লেখ করে বলেন, এটি হতে পারে গোটা বিশ্বের জন্য রোলমডেল। গোটা বিশ্বের চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে। সামাজিক পরিবর্তনে আমাদের সহযোগিতা দরকার। আল্লাহ দরবারে দোয়া করা দরকার। আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র চাই।

আমেরিকাতে আমরা দাওয়ার ক্ষেত্রে কাজ করতে পারি। আমাদের দাওয়া বিভাগ কাজ করছে। আমাদের উচিত সবার কাছে ইসলামের পরিচিত তুলে ধরা। ফটো কার্ড ব্যবহার করা। প্রতিটি লাইব্রেরিতে কুরআন দেয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, আজকে যে পরিবেশ আমেরিকায় রয়েছে কাল নাও থাকতে পারে। এজন্য আমাদের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে। আমাদের ফুট সার্ভিস, রয়েছে ইমেগ্রেশন সার্ভিস এছাড়াও রয়েছে নাহারের মাধ্যমে মানবিক সহযোগিতা। মুসলিম সোসাইটির জন্য আমরা কাজ করছি। নিউইয়র্কে কুরআন একাডেমির তিনটি শাখা রয়েছে। এছাড়া আমরা অনলাইন শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি।

আমরা আমাদের সোসাইটি পরিবর্তন করতে চাই। যদি ঐক্যবদ্ধ হই তাহলে পৃথিবীর ন্যায় বিচার প্রতিষ্টিত হবে।

মাওলানা রফিক আহমদ বলেন, দ্বীন কায়েমের জন্য আমরা কাজ করছি। নবী রাসুলদের রেখে যাওয়া কাজ ই আমরা করছি। দ্বীন বিজয়ের জন্য আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষ নয় এজন্য রক্ত ও ত্যাগ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইমাম মজবুত হলে আমাদের বিজয় দান করবেন। ড: রুহুল আমিন বলেন, গোটা পৃথিবীতে আবারও কালো শক্তি মাথা নাড়া দিচ্ছে। কাশ্মীর এবং ফিলিস্তিনের শিশুরা আর্তনাথ করছে। এজন্য আমাদের ওলামাদের এগিয়ে আসতে হবে।