বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ. এইচ. এম. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত জুলাই সনদ বাস্তবায়নকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা। তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী জুলাই সনদের যে রূপরেখা নির্ধারিত হয়েছিল, এ সিদ্ধান্তে তা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

গতকাল শুক্রবার হোয়ানক টাইম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মহিলা কর্মী সম্মেলন এবং বিকেলে হোয়ানক টাইম বাজার মাঠে তৃণমূল কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ড. আযাদ বলেন, বিএনপিপন্থি কয়েকজন উপদেষ্টা অতি উৎসাহী হয়ে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজনের যে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন, তা জাতিকে বিভক্ত করছে। আমরা এখনো আশাহত নই। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও জাতীয় স্বার্থে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।

তিনি আরও বলেন, এই জাতি রাস্তায় নেমে গুলির সামনে জীবন দিতে জানে। জনগণের সমর্থনে যারা উপদেষ্টা হয়েছেন, তারা যেন জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করেন। দেশের ছাত্রজনতা জেগে আছে, ঘুমিয়ে নেইÑদেশের স্বার্থে প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামতে প্রস্তুত।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ড. আযাদ বলেন, এই দেশ কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির নয়। কারও মনোরঞ্জনের জন্য দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত জনগণ মেনে নেবে না। তাই দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। তৃণমূল কর্মী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী হোয়ানক শাখার আমির মাওলানা আব্দুল মালেক। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কবির। তৃণমূল পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

তৃণমূল কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী ও শামসুল আলম বাহাদুর, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মো. জাকের হোসাইন, শহর জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি ছাত্র নেতা কামরুল হাসান, সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুল আজিজ, মহেশখালী উপজেলা দক্ষিণের নায়েবে আমির মাস্টার আজিজুল হক, উপজেলা জামায়াত দক্ষিণের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, হোয়ানকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুহুল কাদের বাবুল, বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম সিকদার, মাওলানা ইসহাক, মুবিনুল হক খোকন এবং উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবুল কাশেম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।