বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। চাঁদাবাজ কার বাবা, কার মা বা কার সন্তান তা দেখা হবে না।

আজ শুক্রবার বেলা ৩ টায় লক্ষ্মীপুর সরকারি সামাদ স্কুল মাঠে ১১ দল আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের আমানত ও ভোটে জয়ী হওয়ার সুযোগ পেলে ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশের চিত্র পাল্টে যাবে। আগামীতে আর চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। চাঁদাবাজ কার বাবা, কার মা বা কার সন্তান তা দেখা হবে না। আমরা সেদিন হবো নির্দয়, নিষ্ঠুর ও কঠোর। যারা রাজনীতি করবেন আবার চাঁদাবাজিও করবেন, তাদের চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

laksmipur

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাই হয়েছে বলেই আমরা কথা বলতে পারছি। জুলাই হয়েছে বলেই আমরা ভোট দিতে পারবো। রাজার ছেলে রাজা হবে তা হতে দিতে পারি না। পরিবর্তনের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব। এ দেশে একজন রিকশাচালকও তার যোগ্যতায় এমপি-মন্ত্রী হতে পারবে।’

শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘সে বুক পেতে বলেছিল, বুক পেতেছি, গুলি কর। সে পালিয়ে যায়নি, বরং তার রক্ত আমাদের কাছে আমানত রেখে গেছে। এই বিপ্লবের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য ও ন্যায়বিচার, যা প্রতিষ্ঠা করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।’

জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা একিউএম মাষ্টার রুহুল আমিন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের (রামগঞ্জ) ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী (এনসিপি নেতা) মোঃ মাহবুব আলম, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী ডা. রেজাউল করিম, লক্ষ্মীপুর-৪ (কমলনগর ও রামগতি) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা কমিটির সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট হাসিনা সরকারের ক্যাডারদের গুলিতে নিহত-আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সূত্র: বাসস