ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

গতকাল বুধবার বিকালে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠকে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। প্রতিনিধি দলের অপর দুই সদস্য হলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এড. জসীম উদ্দীন সরকার।

বৈঠক শেষে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, আজ (বুধবার) আমাদের মূল দৃষ্টি ছিল আচরণবিধিতে। জামায়াতের প্রার্থীরা তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সারা দেশ থেকে তাদের পোস্টার-ব্যানার সরিয়ে নিয়েছেন। তবে বিভিন্ন স্থানে অন্য পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। আজ (বুধবার) এসব বিষয়ে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। এ ব্যাপারে আরও সক্রিয় হওয়া, দায়িত্ব পালন করা এবং একটি ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার জন্য বলেছি।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “বড় একটি দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের কার্ড, বিভিন্ন ধরনের ওয়াদা করছেন যে, আমরা এত লাখ লাখ, এত কোটি কার্ড দিব, একেকটা কার্ডে এত হাজার, এত লাখ টাকা পাবেন, এই ধরনের অনেকগুলো ওয়াদা করছেন, যেটা আচরণবিধির সুনির্দিষ্ট খেলাফ। এ ব্যাপারে উনাদেরকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা বলেছি। যেখানেই যতটুকু আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে, আমরা তাদের দৃষ্টিতে এনেছি। ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, পোস্টাল ভোটিংয়ে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়াসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আরেকটি বিষয় বলেছি- আমাদের নেতৃবৃন্দ, যারা নির্বাচনে ভূমিকা রাখছেন, শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ব্যাপক সফর করবেন। বিভিন্ন জায়গায় তাদেরকে যেতে হবে, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কেউ অনেক সুযোগ-সুবিধা পাবেন, ভিভিআইপি সুযোগ-সুবিধা পাবেন, আবার কেউ পাবেন না, এটা তো লেভেল প্লেং ফিল্ড হলো না। এই বিষয়টি উনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।