জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে অভিন্ন প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। ৯ আগস্ট ২০৬ তারিখে জোটের বৈঠক শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে জানান।
জামায়াতের আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে ১১ দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জুলাই সনদ অনুযায়ী সর্বসম্মতিক্রমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি সংস্কারের প্রত্যাশা থাকলেও তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেনে, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কর্নেল অলি আহমদকে উপযুক্ত মনে করছে ১১ দল।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১১ দল ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে এবং তাদের একজন অভিন্ন প্রার্থী থাকবেন। সেই প্রার্থী হিসেবে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।’
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘১১ দল প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই তাকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরিয়ে জুলাই সনদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু তাকে আরও ছয় মাস পদে রাখা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতিকে কোনো ধরনের বিচারের আওতায় না এনে ‘ফ্রি এক্সিট’ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ কেন তার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হলো এবং এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।