‘ফ্যাসিস্টের রেখে যাওয়া দোসর’ আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, “আমরা সংসদে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শোনার জন্য যাচ্ছি না। যাচ্ছি, গণভোটের বিজয়ী হ্যাঁ’য়ের পক্ষে সংস্কারের জন্য।”
গতকাল মঙ্গলবার দলের রাজশাহী বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম আরো বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে তিনি ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান। শরীফ ওসমান হাদী হত্যার পেছনে দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্র জড়িত অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভারতে গ্রেফতার হত্যাকারীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে। অনুষ্ঠানে এনসিপি মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি বলেন, দিলীøর চুক্তি অনুযায়ী দেশে অগণতান্ত্রিক সরকার হয়েছে। নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বৈরতন্ত্রের পথেই হাটছেন। স্বৈরতন্ত্র বন্ধ না করলে আমরা দেখবো না আপনি কার ছেলে। আবারো জনগণ মাঠে নামবে। দেশে ধর্ষণ বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, বিএনপি এখন ক্ষমতায় গিয়ে গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। কিন্তু গণভোট নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে গণঅভ্যুত্থানকে চ্যালেঞ্জ করা। দেশে ধর্ষণ বেড়েছে অভিযোগ করে তিনি অবিলম্বে ধর্ষকদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন এবং সঞ্চালনা করেন, মোবাশ্বের আলী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, এনসিপি’র নেতা সারজিস আলম, বিএনপি নেতা এড. শফিকুল হক মিলন এমপি, মহানগরী জামায়াতের মহানগরী নায়েবে আমীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সেক্রেটারি ইমাজউদ্দীন মন্ডল ও অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, আমিনুল ইসলাম, রাকসু’র জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার প্রমুখ।