দেশ-দুনিয়া কত এগিয়ে গেছে, দেশের জেনারেশন কতটা এগিয়ে গেছে, অথচ উনি (তারেক রহমান) ১৭ বছর লন্ডনে থেকেও সেটা ধরতে পারেননি। একটার পর একটা হাসির বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে এ মন্তব্য করেন।
ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, ‘তারেক রহমানের আসনে ডা. এস এম খালিদুজ্জামান ভাই একজন যোগ্য, ভদ্র এবং দায়িত্বশীল মানুষ। এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা ও নিজস্ব অবস্থান তিনি দীর্ঘদিনের কাজ দিয়েই তৈরি করেছেন। কিন্তু আজ তারেক রহমানের সর্বশেষ বক্তব্য শোনার পর মনে হয়েছে এতদিনে তার যে নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান ও ম্যাচিউরিটি তৈরি হয়েছিল, সেটার অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সংযম এবং দূরদর্শিতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।এই বক্তব্য শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমার মাথায় এসেছে আওয়ামী লীগের আমলের কিছু এমপি-মন্ত্রীদের কথা। যাদের বক্তব্য নিয়ে আমরা হাসাহাসি করতাম। যারা ক্ষমতার বলয়ে থেকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন আর শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান নিজেরাই দুর্বল করে ফেলেছিলেন।
দেশ দুনিয়া কত এগিয়ে গেছে দেশের জেনারেশন কতটা এগিয়ে গেছে উনি ১৭ বছর লন্ডনে থেকেও সেটা ধরতে পারেন নি।একটার পর একটা হাসির বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন!
বেগম জিয়াকে আমরা সবাই শ্রদ্ধা করি। কি স্মার্ট ছিলেন তিনি। তার বক্তৃতায় কোনো ছেলেমানুষি ছিলো না ,ছিলো ভারিক্কী। কাউকে অসম্মান করে বক্তৃতা করেন নাই। যে হাসিনা তাকে এত কষ্ট দিয়েছে তাকে নিয়েও কোন খারাপ মন্তব্য করেন নাই। উল্টোদিকে হাসিনার কথায় ছিলো ছেলেমানুষী, গালিগালাজ, অহংকার, মিথ্যা প্রলোভন, মিথ্যাচার, ভারের মত কথা। দেশের সবার সম্মান পাওয়া এত্ত সহজ নয়।
রাজনীতিতে একটি অসংযত বক্তব্য শুধু তাৎক্ষণিক বিতর্ক নয়, দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, অর্জিত সম্মান এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকেও ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দেয়।তারেক রহমান সেই দিকেই হাটছেন এবং নিজেকে প্রমান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
ঢাকা ১৭ এ ডা. খালিদ ভাই আছেন। শুধু একজন দলের প্রধান বলেই তারেক রহমানের হাইপ না দেখে যদি আমরা যোগ্য লোক দেখে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই সে হিসেবে ঢাকা ১৭ তে খালিদুজ্জামান ভাইয়ের চেয়ে আপাতত যোগ্য কেউ নাই।’