সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও সাতক্ষীরা জামায়াতের সাবেক আমীর সাতক্ষীরা-২( সদর ও দেবহাটা) আসনে দলটির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, নামাজ যেমন ফরজ, দ্বীন কায়েম করা তেমনি ফরজ। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে অনেক সরকার দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ। সবগুলো দলের ভোট বাক্স একটি। আপনারা অবশ্যই কোরআনের পক্ষের সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করবেন।

২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড ইটাগাছা এলাকায় গণসংযোগকালে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। তিনি বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং বলেন, আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হলে আপনাদের পাশে থেকে সর্বাত্নক সহযোগিতা করবো ইনশাআল্লাহ। উপস্থিত নারী-পুরুষদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত ইসলামী সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হবে। ঘুষ ছাড়া সরকারি সকল সেবা পাবেন। সেবার জন্য আমার কাছে যেতে হবে না। ন্যায্য অধিকার ও সেবা নিয়ে আপনাদের কাছে উপস্থিত হব ইনশাআল্লাহ।

তিনি সাতক্ষীরা আয়েনউদ্দীন মহিলা আলিম মাদ্রাসা, ইটাগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্থানীয় নূরানি মাদ্রাসা, ইটাগাছা মাদ্রাসা মসজিদের হেফজখানার শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, নায়েবে আমীর ফখরুল হাসান লাভলু, সদর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আজাদুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর মাওলানা নূরুলহক, সেক্রেটারি আব্দুর রহিমসহ নেতাকর্মীরা।

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী আফজাল হোসেন কুমারখালীতে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। কুমারখালীর ইতিহাসে এমন বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল ইতিপূর্বে হয়নি। মিছিলটি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে সর্বত্র।

২৯শে নভেম্বর বেলা ১১টায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে উপজেলার বাটিকামারা মডেল স্কুল থেকে মিছিণটি শুরু হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামী নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ দলে দলে এসে মিছিলে অংশ গ্রহন করেন। মিছিলটি তরুন মোড় থেকে খোকন মোড়, হল বাজার, গনমোড়, রেল বাজার ও বাসস্ট্যান্ড হয়ে কুমারখালী পৌর টার্মিনালের সামনে এসে শেষ হয়। গণমিছিল শেষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কুমারখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা নায়েবে আমীর মোঃ আফজাল হোসেন।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আফতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সোহরাব উদ্দিন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য কামরুজ্জামান মিয়া, খোকসা উপজেলা জামায়াতের নআমীর নজরুল ইসলাম, খোকসা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওঃ মুরশিদ আলম, কুমারখালী পৌর আমীর এ্যাড: রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মামুনুর রশিদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আফজাল হোসেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এক সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসার তাঁতপণ্য বাংলাদেশসহ ইউরোপের বাজারে বেশ কাদর ছিল, কিন্তু সেই শিল্পটি আজ প্রায় ধ্বংসের পথে। আগামী দিনে জামায়াত ক্ষমতায় আসলে কুমারখালীর তাঁত শিল্পকে আধুনিক তাঁতশিল্পে রুপান্তরিত করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কুমারখালী ও খোকসায় হাজার হাজার একর জমি জলবদ্ধতায় আটকে আছে। এ সকল জলবদ্ধতা দূর করে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করা হবে। এছাড়াও শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি করা হবে। নির্মাণের থেকে কয়েকগুন বেশি টোল আদায় হওয়া সৈয়দ মাছ-উদ রুমী সেতুর টোল আদায় বন্ধের জোর দাবি জানান। আগামী দিনে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান তিনি।

মণিরামপুর (যশোর) : যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে এনসিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এবি আহাদ হোসাইন স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। সোমবার রাতে মণিরামপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ সদস্য প্রার্থী এবি আহাদ হোসাইন বলেন, জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগষ্ট তার বাম চোখে গুলিবিদ্ধ হয়। আহত হয়ে তিনি চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থান বিকেলে শোনেন ফ্যাস্টিস সরকারের পতন হয়েছে। তখন তিনি এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন। আর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে এনসিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী হবেন।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় সংবাদকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।” তিনি আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক শাপলা নিয়ে জনগণের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভায় প্রার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস,এম মজনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ ইলিয়াস হোসেন ও জি,এম ফারুক আলম, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহান, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক উজ্জ্বল রায়, নির্বাহী সদস্য বোরহান উদ্দিন জাকির, আব্বাস উদ্দীন, সাবেক সভাপতি ফারুক আহম্মেদ লিটন, সাবেক আইসিটি সম্পাদক শফিয়ার রহমান, সদস্য সুবিদুর রহমান, মোস্তফা আলমগীর কবির, বাবুল আকতার, মোন্তাজ আলী প্রমুখ।

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ-১ কাজিপুরের মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাওলানা শাহিনুর আলম ১লা ডিসেম্বর তার নির্বাচনী এলাকা গান্ধাইল ইউনিয়নের কালিকাপুর হাটের দোকানদারদের সাথে গণসংযোগ করেছেন। এছাড়া কালিকাপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়া হয়ে কালিকাপুর উত্তর পাড়া হয়ে উল্লাপাড়া গ্রামের পূর্ব পাড়া ও মহিশামুরা উত্তর পাড়ার প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করেছেন। তার সাথে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কাজিপুর উপজেলা শাখা আমীর মোঃ জাহিদুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম, জামায়াতে ইসলামী গান্ধাইল ইউনিয়নের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ, সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ সাংবাদিক, জয়েন্ট সেক্রেটারি আশাদুল ইসলাম। এ ছাড়া উক্ত গণ সংযোগে গান্ধাইল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু নেতা ও কর্মীগণ অংশগ্রহণ করেছিলেন। গণসংযোগ শেষে কালিকাপুর হাটখোলা মসজিদে এশার নামাজের মাধ্যমে গণসংযোগ শেষ হয়। জনগণ সবাই আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য ওয়াদা করেছেন।

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন, এখলাসপুর ইউনিয়ন ও জহিরাবাদ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর ভোর থেকে সারাদিনব্যাপী এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মুহাম্মাদ আবদুল মোবিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি জামায়াতে ইসলামী করি, জামায়াত চায় এ দেশে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা। এখন আপনারা সিদ্ধান্ত নেবেন-আপনি আল-কুরআনের পক্ষে রায় দেবেন, নাকি আল-কুরআনের বিপক্ষে রায় দেবেন।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মতলব উত্তর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক আবুল বাশার দেওয়ান, উপজেলা সেক্রেটারি মেহেদী হাসান নাজির, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হাই শিকদার, ছেংগারচর পৌর জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল মোঃ মাসুদ সরকার, মোঃ জাব্বার দেওয়ান, মোঃ বাবুল প্রধান, হযরত আলী ও আবদুল লতিফ লিটন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর, এখলাসপুর ও জহিরাবাদ ইউনিয়নের দায়িত্বশীল আবদুল আল মামুন, আব্দুস সাত্তার মৃধা, কামাল হোসেন, হাফেজ হান্নান। চরাঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-আবুল কালাম মোল্লা, মানিক, টিপু, মো. নবীর হোসেন ও মো. সাইফউদ্দিন।