ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬টি আসনে মোট ২০১ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) খুব সকাল থেকে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। এলাকায় প্রচার মিছিল, উঠান বৈঠক, গণসংযোগ, ব্যানার, বিল বোর্ড, পোস্টার, লিফলেট ও মাইকিং করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। আর ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার চালাবেন।

খুলনায় ৬টি আসনে ৩৮ প্রার্থী : খুলনার ৬টি আসনে ৩৮ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) মোট ১২ জন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে সম্মিলিত জাতীয় জোটের অন্তর্গত বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায় (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায় (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু সাঈদ (হাতপাখা), জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত (তারা), বিএনপির আমির এজাজ খান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রবীর গোপাল রায় (রকেট), বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডল (দোয়াত কলম), স্বতন্ত্র অচ্যিন্ত কুমার মন্ডল (ঘোড়া), স্বতন্ত্র গোবিন্দ হালদার (কলস) ও গণঅধিকার পরিষদের জি এম রোকনুজ্জামান (ট্রাক) প্রতীক পেয়েছেন।

খুলনা-২ আসনে (সদর-সোনাডাঙ্গা) ৩ প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি আমানুল্লাহ (হাতপাখা) প্রতীক পেয়েছেন।

খুলনা-৩ আসনে (খালিশপুর, দৌলতপুর ও আড়ংঘাটা) ১০ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল আউয়াল (হাতপাখা), বিএনপির রকিবুল ইসলাম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র মো. মুরাদ খান লিটন (ঘুড়ি), স্বতন্ত্র মঈন মোহাম্মাদ মায়াজ (ফুটবল), বাসদের জনার্দন দত্ত (মই), এনডিএম’র শেখ আরমান হোসেন (সিংহ), জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র মো. আবুল হাসানত সিদ্দিক (জাহাজ) ও স্বতন্ত্র এস এম আরিফুর রহমান মিঠু (হরিণ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

খুলনা-৪ আসনে (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনুস আহম্মেদ শেখ (হাতপাখা), বিএনপির এস কে আজিজুল বারী (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইন (দেয়াল ঘড়ি) ও স্বতন্ত্র এস এম আজমল হোসেন (ফুটবল) প্রতীক পেয়েছেন। এ আসনটি জামায়াতে ইসলামী জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিসকে ছেড়ে দিয়েছে।

খুলনা-৫ আসনে (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিয়া গোলাম পরওয়ার (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির মোহাম্মাদ আলী আসগার (ধানের শীষ), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির চিত্ত রঞ্জন গোলদার (কাস্তে) ও জাতীয় পার্টির শামিম আরা পারভীন ইয়াসমীন (লাঙ্গল) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

খুলনা-৬ আসনে (কয়রা-পাইকগাছা) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আছাদুল ফকির (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মন্ডল (কাস্তে) ও জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (লাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

বাগেরহাটের ৪টি আসনে ২৩ প্রার্থী : বাগেরহাটের ৪টি আসনে ২৩ প্রার্থীর প্রতীক পেয়ে প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। বাগেরহাট-১ আসনে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম (ঘোড়া) এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মাসুদ রানা (ফুটবল) প্রতীক পেয়েছেন, বিএনপির প্রার্থী কোপিল কৃষ্ণ মণ্ডল (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মশিউর রহমান খান (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু সবুর শেখ, এবি পার্টি মনোনতী প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি-জেপি’র স. ম গোলাম সরোয়ার, মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হক দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (দাঁড়িপাল্লা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এডভোকেট আতিয়ার রহমান (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর এডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিল্লুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় সমাজ তান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফারুক (হাতপাখা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. আ. লতিফ খান, জাতীয় পার্টি-জেপি’র সাজন কুমার মিস্ত্রি দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বহিস্কৃত বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ জন প্রার্থী : সাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারি ২০ প্রার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।

সাতক্ষীরা-১ আসনে বিএনপি’র হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

সাতক্ষীরা-২ আসনে বিএনপি’র আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মোটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

সাতক্ষীরা-৩ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি বহিস্কৃত নেতা ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল) ও বিএমজেপির রুবেল হোসেন (রকেট)।

সাতক্ষীরা-৪ আসনে বিএনপি’র ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর জি এম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

যশোরে ৬টি আসনে ৩৫ প্রার্থী : যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ৩৫ জন প্রার্থী প্রচার-প্রচারণায় নেমেছেন। যশোর-১ আসনে (শার্শা) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন প্রার্থী। তারা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (লাঙ্গল), বিএনপি’র নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান (হাতপাখা)।

যশোর-২ আসনে (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) বিএনপি’র মোছা. সাবিরা সুলতানা (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), বাসদের ইমরান খান (মই), বিএনএফের শামসুল হক (টেলিভিশন) এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ (ঈগল) । এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া) এবং মেহেদী হাসান (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন।

যশোর-৩ আসনে (সদর) বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল কাদের (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খবির গাজী (লাঙ্গল), জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত (চশমা) এবং সিপিবির রাশেদ খান (কাস্তে) নিয়ে প্রচার-প্রচারণায় রয়েছেন।

যশোর-৪ আসনে (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) বিএনপি’র মতিয়ার রহমান ফারাজি (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী (দেওয়াল ঘড়ি), জাতীয় পার্টির জহুরুল হক (লাঙ্গল) এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল (রকেট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এম নাজিম উদ্দিন-আল-আজাদ (মোটরসাইকেল) প্রতীকে লড়ছেন।

যশোর-৫ আসনে (মনিরামপুর) জামায়াতে ইসলামীর গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি’র রশীদ আহমাদ (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির এম এ হালিম (লাঙ্গল), এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন (কলস) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

যশোর-৬ আসনে (কেশবপুর) জামায়াতে ইসলামীর মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা) বিএনপি’র আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জি এম হাসান (লাঙ্গল) এবং এবি পার্টির মাহমুদ হাসান (ঈগল) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

চুয়াডাঙ্গায় ২টি আসনে ৬ প্রার্থী : চুয়াডাঙ্গার দু’টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৬ প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির শরীফুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাসুদ পারভেজ রাসেল (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহুরুল ইসলাম আজিজী (হাতপাখা)।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর রুহুল আমীন (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামী আন্দোলনের হাসানুজ্জামান সজীব (হাতপাখা) নিয়ে প্রচার শুরু করেছেন ।

নড়াইলের ২টি আসনে ১৫ প্রার্থী : নড়াইলের ২ট আসনে বিএনপি’র ৪ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ মোট ১৫ প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে কাজ শুরু করেছেন। নড়াইল-১ আসনে বিএনপি সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. ওবায়দুল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল আজিজ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মো. মিল্টন মোল্যা (লাঙ্গল) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি’র তিন বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক বি এম নাগিব হোসেন (কলস), লে. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এস এম সাজ্জাদ হোসেন (ফুটবল) ও সুকেশ সাহা আনন্দ (ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছন।

নড়াইল-২ সংসদীয় আসন বিএনপির প্রার্থী ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মো. তাজুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের মো. নূর ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শোয়েব আলী (ছড়ি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপি’র বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (কলস) এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন (জাহাজ) প্রতীক নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।

ঝিনাইদহের ৪টি আসনে ২১ জন প্রার্থী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২১ প্রার্থী। ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর এ এস এম মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা, এবি পাটির মতিয়ার রহমান (ঈগল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, মার্কসবাদীর শহিদুল এনাম পল্লব (কাঁচি) ও জাতীয় পার্টির মনিকা আলম (লাঙ্গল) নিয়ে ভোটের মাঠে চাষ করা শুরু করেছেন।

ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপির মো. আব্দুল মজিদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, বাসদের আসাদুল ইসলাম (মই), সিপিবি আবু তোয়াব (কাঁস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মমতাজুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পাটির সওগাতুল ইসলাম (লাঙ্গল) নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছেন।

ঝিনাইদহ-৩ আসনে বিএনপির মেহেদী হাসান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) ও গণঅধিকার পরিষদের সুমন কবির (ট্রাক) প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি রাশেদ খাঁন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবু তালেব (দাঁড়িপাল্লা, বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (কাপ পিরিচ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল (হাতপাখা), গণফোরামের খর্ণিয়া খানম (উদীয়মান সূর্য) ও জাতীয় পার্টি এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (লাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে চাষ শুরু করেছেন।

মাগুরায় ২টি আসনে ১১ প্রার্থী : আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাগুরার ২টি আসনে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মাগুরা-১ আসনে বিএনপি’র মনোয়ার হোসেন খান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মতিন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জাকির হোসেন মোল্লা (লাঙল), সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের শম্পা বসু (মই), গণঅধিকার পরিষদের মো. খলিলুর রহমান (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলনের মো. নাজিরুল ইমলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের কাজী রেজাউল ইসলাম (ডাব) প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।

মাগুরা-২ আসনে বিএনপি’র নিতাই রায় চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মুরতারশেদ বিল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মশিয়ার রহমান (লাঙল), ইসলামী আন্দোলনের মোস্তফা কামাল (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে কাজ শুরু করেছেন।

কুষ্টিয়ায় ৪টি আসনে ২৫ প্রার্থী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মনোনীত ও স্বতন্ত্র ২৫ প্রার্থী প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছেন।

কুষ্টিয়া-১ আসনে (দৌলতপুর) বিএনপির রেজা আহামেদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর বেলাল উদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর মোহা. বদিরুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদ সাহাবুল ইসলাম (ট্রাক), জাতীয় পার্টি শাহরিয়ার জামিল (লাঙল) ও জেএসডি গিয়াস উদ্দিন (মই)। এই আসনে বিএনপির বহিস্কৃত নেতা নুরুজ্জামান মোল্লা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

কুষ্টিয়া-২ আসনে (মিরপুর-ভেড়ামারা) বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল গফুর (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নুর উদ্দিন আহমেদ (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা) এবং ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের বাবুল আক্তার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

কুষ্টিয়া-৩ আসনে (সদর) বিএনপির জাকির হোসেন সরকার (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমীর হামজা (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের মীর নাজমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটির মোছা. রূমপা খাতুন, গণঅধিকার পরিষদের মোহা. শরিফুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল্লাহ আখন্দ (হাতপাখা)।

কুষ্টিয়া-৪ আসনে (খোকসা-কুমারখালী) বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আফজাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার খাঁন (হাতপাখা), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পাটি তরুণ কুমার ঘোষ, গণফোরামের আব্দুল হাকিম মিয়া এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির শহিদুল ইসলাম নির্বাচনী মাঠে কাজ করছেন।

মেহেরপুরের দু’টি আসনে ৭ জন প্রার্থী : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের ২টি আসনে ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপির মাসুদ অরুণ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা তাজ উদ্দিন খান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি আব্দুল হামিদ (নাঙল), সিপিবি এডভোকেট মিজানুর রহমান (কাস্তে) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। মেহেরপুর-২ আসনে (গাংনী) বিএনপির আমজাদ হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হুদা (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুল বাকী (লাঙ্গল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে চাষ শুরু করেছেন।