গত ২৫ তারিখে যখন আমি দেশে এসে একটি কথা বলেছিলাম, মার্টিন লুথার কিং যেমন ৬২ বছর আগে বলেছিলেন, আই হ্যাভ এ ড্রিম। আমি বলেছিলাম, আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আগামী নির্বাচনে ইনশাল্লাহ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমাদের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা চাই। গতকাল শনিবার দুপুরে দেশের মানুষের জন্য নিজের কর্মপরিকল্পনা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে এভাবেই সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বনানীর হোটেল শেরাটনের বলরুমে সাংবাদিকদের সাথে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে শুক্রবার রাতে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানের প্রথম কর্মসূচি শুরু করেন সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। দেশের জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার শীর্ষ প্রধানসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তারেক রহমান বলেন, সেই প্ল্যানের মধ্যে একটি অংশ আছে নারীদেরকে ঘিরে। সেটি হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। কার্ডটি ৫ থেকে ৭ বছরের জন্য দেব। সবাই এক কার্ড পাবেন। বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার কাছে মনে হয় সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মতপার্থক্য আছে। সামগ্রিকভাবে সমাজের সকল মানুষের কাছে আমি আহ্বান রাখতে চাই, আমাদের বিভিন্ন মত পার্থক্যগুলো যাতে আমরা আলোচনা করতে পারি, আলাপ করতে পারি। আমাদেরকে যেকোনো মূল্যে হোক ডেমোক্রেটিক প্রসেসটা চালু রাখতে হবে, আমাদের জবাবদিহিতাটা চালু রাখতে হবে যেকোনো মূল্যে। সেটি জাতীয় পর্যায়ে হোক সেটি লোকাল পর্যায়ে হোক। আমার যেটা বিশ্বাস আমরা যেকোনো মূল্যে যদি এই জবাবদিহিতাটা, গণতান্ত্রিক প্রসেসটা আমরা কন্টিনিউ করতে পারি অনেক বাধা হয়ত আসবে, অনেক কঠিন হবে কিন্তু একটা সার্টেন টাইম পরে আমরা যদি গণতান্ত্রিক প্রসেসটাকে কন্টিনিউ করে যেতে পারি তাহলে নিশ্চয়ই আমরা অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হব।
তারেক রহমান বলেন, কাউকে আঘাত না করে বলতে চাই, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-সদস্য কাউকে আমি আঘাত করতে চাইছি না। আমি আমার চিন্তাটা শুধু তুলে ধরতে চাইছি। আসুন আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীদের অধিকার, এমপাওয়ারমেন্ট, কর্মসংস্থান পরিবেশ, সবকিছু মিলিয়ে এই যে বিষয়গুলো যেটি একটি সাধারণ মানুষের জন্য প্রযোজ্য, এগুলো নিশ্চিৎ করতে পারি। আমরা অনেকদিন ধরে সাংবিধানিক পার্ট, আইনগত পার্ট এবং মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা নিরাপত্তা, তাদের সিকিউরিটি সবকিছুর রিফর্ম নিয়ে কাজ করছি। এ বিষয়গুলো নিয়ে বোধহয় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের আলোচনা করা উচিত।
তারেক রহমান বলেন, সামনে নির্বাচন। আমি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। স্বাভাবিকভাবেই আমরা ২২ তারিখ থেকে আমাদের সকল রকম পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাব। তিনি বলেন, আমরা ইনশাল্লাহ দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হলে যাতে আপনাদের কাছ থেকে এমন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা আমরা পাই, যেটা আমাদেরকে সাহায্য করবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। আপনাদের কাছ থেকে এমন সমালোচনা আমরা পাই যাতে আমরা দেশের মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে সেই সমস্যাগুলো যাতে আমরা সমাধান করতে সক্ষম হই।
৫ আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, আমাদের সমস্যা ছিল, আছে। অবশ্যই আমরা ৫ই আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। আমি আমার অবস্থান থেকে যদি চিন্তা করি, আমার এক পাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাযা। একই সাথে আমার এক পাশে ২০২৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের একটি জানাযা আর আমার আরেক পাশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের একটি ঘটনা। কাজেই এটি শুধু বোধহয় আমার একার জন্য নয়।
তারেক রহমান বলেন, হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসার পরিণতি কী হতে পারে আমরা দেখেছি ৫ আগস্ট। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু আমরা যদি চেষ্টা করি তাহলে সেই মতপার্থক্যটাকে আলোচনার মাধ্যমে সেটির অনেক সমস্যার সমাধান হয়ত আমরা বের করে আনতে সক্ষম হব। কিন্তু কোনোভাবেই সেটি যাতে মতবিভেদের পর্যায়ে চলে না যায়। মতবিভেদ হলে জাতিকে বিভক্ত করে ফেললে কী হতে পারে আমরা দেখেছি। আজকে অনেকের মুখে হতাশার কথা আমরা শুনি কিন্তু তারপরও আশার কথা হচ্ছে, আমাদের কাছে ভবিষ্যতের চিন্তা ও পরিকল্পনা আছে।
তারেক রহমান বলেন, আমি দেশে অনেক দিন থাকতে পারিনি, কী কারণে সে প্রসঙ্গে আপনাদের কম বেশি ধারণা আছে। তবে সারাক্ষণই দেশের সাথে আমার যোগাযোগ ছিল। দেশের মানুষের সাথে কী হয়েছে? এখানে মাহমুদুর রহমান (আমার দেশ সম্পাদক) বলেছেন একটি উদাহরণ দিয়ে। উনার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই আমি বলতে চাইছি, উনার রক্ত মাখা ছবি এখনও আমার চোখের সামনে ভাসে। কাজেই উনার সাথে কী হয়েছে আমি যেমন জানি, রুহুল আমিন গাজীর (ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি) সাথে কী হয়েছে, যেভাবে উনি মৃত্যুবরণ করেছেন সেটি আমি জানি। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আমার ৬০ লক্ষ নেতাকর্মী এবং তার থেকে হৃদয় বিদারক আমার জন্য হচ্ছে সেটি হচ্ছে, আমার মায়ের সাথে কী হয়েছে। কাজেই এই ঘটনাগুলো যদি আমরা সবগুলোকে এক করি তাহলে যারা দেশে ছিলেন আপনারা অবশ্যই আমার থেকে একটু বেটার ভালো জানবেন। তবে আমি একদম যে জানি না, বোধহয় বিষয়টি তা নয়, আমার একটি ধারণা আছে।
নতুন প্রজন্ম দিক নির্দেশনা চায় উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স চাইছে, নতুন প্রজন্ম একটি আশা দেখতে চাইছে। আমার কাছে মনে হয়েছে প্রত্যেকটি প্রজন্মই মনে হয় কিছু একটি গাইডেন্স চাইছে। আমরা যারা রাজনীতিবিদ আমাদের কাছে হয়ত অনেক প্রত্যাশা। সকল প্রত্যাশা হয়তবা পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা জাতিকে একটি সঠিক ডাইরেকশনে নিয়ে যেতে সক্ষম হব।
যুক্তরাজ্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাকে চিকিৎসার জন্য এ দেশ থেকে ২০০৮ সালে চলে যেতে হয়েছিল যুক্তরাজ্যে। ২০১০ সালে সেখানে প্রথম একটি নির্বাচন আমি দেখেছিলাম। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার একটি ইন্টারেস্ট ছিল। টিভির সামনে বসে আমি ডিবেট দেখছিলাম। লেবার এবং কনজারভেটিভ দলের মধ্যে এই ডিভেট। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিয়ে ওই দুই নেতার মধ্যে তখন কথা হচ্ছিল। খুব দুঃখজনক হলো বাংলাদেশ বাদই দিলাম শুধু ঢাকা শহরের মধ্যেই কোনো অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নেই। গত ৫৪/৫৫ বছরে আমরা মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি, এটি খুব দুঃখজনক ব্যাপার।
তিনি বলেন, পানির সমস্যা যেভাবে চলছে এভাবে যদি চলে আমার যতটুক ধারণা, হার্ডলি ২০ বছর পরে ঢাকা শহরে কোনো জায়গা থেকে পানি আমরা পাব না। আমাদের বুড়িগঙ্গা নদী সম্পূর্ণ পলিউটেড। শীতলক্ষ্যা নদী ৫০% এর মত পলিউটেড। এখন মেঘনা নদী থেকে পানি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এটার পানিও আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে পলিউটেড হয়ে যাবে। ঢাকা শহরে যে সাড়ে তিন কোটি মানুষের মতন মানুষ বাস করছে, এরা পানি পাবে না।
কর্মসংস্থানের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ২০ কোটি মানুষের মধ্যে একটি বড় অংশ হচ্ছে তরুণ সমাজের সদস্য। বিভিন্নভাবে আমাদেরকে উপায় বের করতে হবে কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, সেটি দেশের ভিতরে হোক বা বাইরে হোক। আমরা যদি এটি সক্ষম না হই, তাহলে আমরা ৫ আগস্ট বলি, ৯০ এর আন্দোলন বলি, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ বলি, আমাদের মনে হয় খুব সম্ভবত প্রত্যেকটি প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, দেশে গত বছরে ৭ হাজারের মত মানুষ রোড অ্যাক্সিডেন্টসে মারা গিয়েছে। বিষয়টি খুব অস্বাভাবিক। অ্যাক্সিডেন্টে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা মারা যাচ্ছে তাদের অধিকাংশই আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না। এই বিষয়টি বোধহয় আমাদেরকে নজরে আনা উচিত। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চিন্তাভাবনা হওয়া উচিত।
তারেক রহমান বলেন, করাপশনটা যাতে স্প্রেড না করে। তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমরা যদি সৌদি আরব বা কুয়েতের সবগুলো তেল খনিও এখানে নিয়ে আসি তাহলে হয়তো আমরা এত মানুষের সমস্যা সমাধান করতে পারব না। সেজন্য আমাদেরকে অবশ্যই পপুলেশন কন্ট্রোলে যেতে হবে।
এই অনুষ্ঠানে সম্পাদকদের মধ্যে যায় যায় দিনের শফিক রেহমান, ডেইলি স্টারের মাহফুজ আনাম, আমার দেশ এর মাহমুদুর রহমান, নিউএজের নুরুল কবির, মানব জমিনের মতিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক ইনকিলাবের এএমএম বাহাউদ্দিন, যুগাস্তরের আবদুল হাই শিকদার, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক সংগ্রামের আযম মীর শাহিদুল আহসান, দৈনিক সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর ইনাম আহমেদ, কালের কন্ঠের হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের আবু তাহের, প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রুপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, বনিক বার্তার হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সানের মো. রেজাউল করিম, সুরমা’র (লন্ডন) শামসুল আলম লিটন, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, আজকের পত্রিকার কামরুল হাসান, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকন্ঠের শহীদুল ইসলাম, দেশ বার্তার সালেহ বিপ্লব, নিউ নেশনের মোকাররম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরীফ, সময়ের আলো‘র সৈয়দ শাহনাজ করিম, জনকন্ঠের খুরশীদ আলম, যুগান্তরের এনাম আবেদীন, টাইম অব বাংলাদেশ এর ইলিয়াস খান, দিকপালের সম্পাদক শাহীন রাজা, নাগরিক প্রতিদিন হাসনাইন খুরশীদ প্রমুখ ছিলেন। ছিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আল দীন, প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, ইউএনবির প্রধান সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা স্টিমের সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, ঢাকা মেইলের সম্পাদক হারুন জামিল, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সুবহান, ঢাকা পোস্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল ইসলাম। বিবিসির সম্পাদক সাব্বির মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, আল জাজিরার তানভীর চৌধুরী, রয়টার্সের রুমা পাল, এএফপির শেখ সাবিহা আলম প্রমুখ ছিলেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুব আলম, জেনারেল ম্যানেজার নুরুল আজম পবন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জেডএম জাহেদুর রহমান , বেসরকারি টেলিভিশনের শীর্ষ প্রধানদের মধ্যে রয়েছেন সময় টিভির জুবায়ের আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের শাইখ সিরাজ, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, এনটিভির ফখরুল আলম কাঞ্চন, মোস্তফা খন্দকার, ইটিভির আবদুস সালাম, যমুনা টিভির ফাহিম আহমেদ, ডিভিসির লোটন একরাম, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, এটিএনের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবীর সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, গ্রীন টিভির মাহমুদ হাসান, গাজী টিভির গাউসুল আজম দীপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, মাছরাঙার রেজানুল হক রাজা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, আরটিভির ইলিয়াস হোসেন, মোহনা টিভির এমএ মালেক, স্টার টিভির ওয়ালিউর রহমান মিরাজ, এখন এর তুষার আবদুল্লাহ, ইন্ডিপেনডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাইটিভির ইউসুফ আলী প্রমুখ।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, এম এ আজিজ, নুরু উদ্দিন নুরু, একেএম মহসিন, শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, খাজা মাইন উদ্দিন, হাফিজুর রহমান সরকারসহ বিভিন্ন পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন, মিড়িয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমার রুমন, শায়রুল কবির খান, আবু সায়েম, বিএনপির সাইমুম পারভেজ, শামসুদ্দিন দিদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার এবং চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম ছিলেন অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল ও চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। অনুষ্ঠানে সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।