উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খুলনা বিভাগের ভোটগ্রহণ ও বেসরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলের তথ্যানুযায়ী, খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৫টিতে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। ১১টিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনে মোট ২০২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

জামায়াতে ইসলামীর জয়ী হওয়া ২৫টি আসনের মধ্যে খুলনা জেলায় ২টি, বাগেরহাটে ৩টি, সাতক্ষীরায় ৪টি, যশোরে ৫টি, চুয়াডাঙ্গায় ২টি, মেহেরপুরে ২টি, কুষ্টিয়ায় ৩ টি , ঝিনাইদহে ৩টি, নড়াইলে ১টি আসন রয়েছে।

খুলনা-১: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী আমির এজাজ খান, খুলনা-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৩: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম, খুলনা-৪: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এস কে আজিজুল বারী, খুলনা-৫: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার ও খুলনা-৬: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হয়েছেন।

বাগেরহাট-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৩: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও বাগেরহাট-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম বিজয়ী হয়েছেন।

সাতক্ষীরা-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ও সাতক্ষীরা-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জি. এম. নজরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

যশোর-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মুসলেহ উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল, যশোর-৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক ও যশোর-৬: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী বিজয়ী হয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদ পারভেজ ও চুয়াডাঙ্গা-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এডভোকেট মো. রুহুল আমিন বিজয়ী হয়েছেন।

মেহেরপুর-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা তাজউদ্দিন খান ও মেহেরপুর-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. নাজমুল হুদা বিজয়ী হয়েছেন।

কুষ্টিয়া-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজা আহাম্মেদ, কুষ্টিয়া-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা ও কুষ্টিয়া-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

ঝিনাইদহ-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আলী আজম মো. আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মতিউর রহমান ও ঝিনাইদহ-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবু তালেব।

মাগুরা-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন ও মাগুরা-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নিতাই রায় চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।

নড়াইল-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও নড়াইল-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু বিজয়ী হয়েছেন।

খুলনার ৬টি আসনের ৪টিতে বিএনপি দুইটিতে জামায়াতের জয়: বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপি এবং দুইটিতে জামায়াতে ইসলামী জয়লাভ করেছে। এরমধ্যে খুলনা-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৩ আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনে মহানগর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আলি আসগর লবি এবং খুলনা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, খুলনা-১ আসনে আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬।

খুলনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট।

খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।

খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।

খুলনা-৫ আসনে আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। এছাড়া খুলনা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি পায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।

খুলনার পাঁচ আসনে ভোট পড়েছে ৬৩-৬৫ শতাংশ

খুলনায় ৬৩-৬৫ শতাংশ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটির চিত্র এটি। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনার জেলা প্রশাসক ও খুলনা ১, ২, ৪, ৫ ও ৬ আসনের রিটার্নিং অফিসার আ স ম জামসেদ খোন্দকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিকাল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে ব্যালট বাক্সগুলো খোলেন। পরে শুরু হয় গণনা। সকাল ১১টা পর্যন্ত খালিশপুর বঙ্গবাসী স্কুল ৫৯ নং কেন্দ্রে ৩৭০ ভোট কাস্ট হয়। ওই কেন্দ্রে ভোটার হচ্ছে ১৯৯৩ জন। প্রিজাইডিং অফিসার শিকদার রহমত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একই কেন্দ্রে (৬০) সকাল ১০টায় ১৭৭৭ ভোটের মধ্যে ৬০ ভোট কাস্টিং হয়। প্রিজাইডিং অফিসার আরিফুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একই কেন্দ্রে (৫৮) সকাল সাড়ে ৯টায় ১৭৬৮ ভোটারের মধ্যে ১৮৭ ভোট কাস্ট হয়। প্রিজাইডিং অফিসার মো. ওয়ালিদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ভাসানী বিদ্যাপিঠের ৬৫নং কেন্দ্রে বেলা সাড়ে ১১টায় ১৭১০ ভোটের মধ্যে ৪৮৯ ভোট কাস্ট হয়। প্রিজাইডিং অফিসার ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে ভোট ছিল উৎসব মুখর। তবে এ কেন্দ্রে বহিরাগতদের চলাচল ছিল বেশী। খালিশপুর কলেজিয়েট গালর্স স্কুলের ৭৩নং কেন্দ্রে ২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ১৮২৭ ভোটারের মধ্যে ৭৩৯ ভোট কাস্ট হয়। প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই কেন্দ্রের (৭২) দুপুর ২টা নাগাদ ৯৪৭ ভোটের মধ্যে ২৯৩ ভোট কাস্ট হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের তদন্ত কমিটি গঠন

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দফতর সম্পাদক মহিফুজ্জামান কচির (৬২) মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

খুলনা সদর থানার ওসি কবীর হোসেন বলেন, খুলনা আলিয়া মাদরাসা ভোট কেন্দ্রে উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কি সময় বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি অসুস্থ হয়ে পড়ে মারা যান। বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, অফিসিয়ালী কোন কমিটি গঠন করা হয়নি। মৌখিকভাবে বলা হয়েছে। খুলনা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আমরা ঘটনার বিষয়ে জেনেছি। লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে এটি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা বলে জানা গেছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু হাসপাতালে গিয়ে পরিদর্শন করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, আমাদের দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মীকে আমরা হারালাম আমরা দাবি করছি, এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, ওই কেন্দ্রে বিএনপি নেতা মহিফুজ্জামান কচির সঙ্গে ভোটারদের সাথে মতবিরোধ হয়। ফলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা দেয়। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কেউ জড়িত নয়।

খুলনা-৬ আসনে জামানত হারালেন লাঙ্গল-হাতপাখা-কাস্তের প্রার্থী

খুলনা-৬ আসনে ১৫৫ কেন্দ্রে ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৩১ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৮৮ হাজার ১৯১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ৮ ভাগের এক ভাগ হয়। এই হিসেবে ৩৬ হাজার ২৪টি ভোট প্রয়োজন। এদিকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে জামায়াতের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম মনিরুল ইসলাম বাপ্পী ধানের শীষে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট। এ আসনে প্রত্যাশিত এক অষ্টমাংশ ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন সিপিবির প্রশান্ত কুমার মন্ডল কান্তে প্রতীকে ১৫৭১ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের আসাদুল্লাহ ফকির হাতপাখা প্রতীকে ২৯৫০ ভোট ও জাতীয় পার্টির মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর লাঙ্গল প্রতীকে ২৭১৭ ভোট পান।