বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জামায়াত সব ধরনের সহযোগিতা করবে। তবে যারা নাশকতা করবে, তাদের মুখের দিকে না তাকিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’
বুধবার (২১ জানুয়ারি) মিরপুরে বিএনপির হামলার ঘটনায় আহতদের দেখতে কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে গিয়ে প্রশাসনের উদ্দেশে এ আহবান জানান। এসময় দলের কর্মীদের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়। আমরা তাদের দেখতে এসেছি। এখানে সব মিলিয়ে ২৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছে। কেন এমনটা হলো? নির্বাচনী প্রচারণা আগামীকাল(২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে।’
তিনি বলেন, আমাদের কেউ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ আছে। তারা কর্তৃপক্ষকে বলবেন। কর্তৃপক্ষ তাদের মতো করে উদ্যোগ নেবে। সে ব্যাপারে আমাদের সতর্ক করবে। আমাদের কাছে জানতে চাইবে। কিন্তু পদক্ষেপ নেয়ার তাদের(কোনো দল) এখতিয়ার নেই। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা দলের কোনো ধরনের এখতিয়ার নেই এ ব্যাপারে মব সৃষ্টি করার।
তিনি বলেন, ‘মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন এখন আর নেই। আমরা এই নোংরা মবের নিন্দা জানাই এবং আমরা দেখতে চাই মব যেন এখানেই শেষ হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন, মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ। সবাই জনগণের কাছে নিজের বক্তব্য, দলের অঙ্গীকার ও নিজের আদর্শ নিয়ে যাবে। জনগণ অতীত-বর্তমান বিবেচনা করে ভবিষ্যতে কার ওপর আস্থা রাখবে সেই সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি বলেন, ‘সবাই জনগণের কাছে নিজের মতো অঙ্গীকার ও কার্যক্রম নিয়ে যাবে, জনগণ তাদের অতীত-বর্তমান চিন্তা করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের অঙ্গীকার একেবারেই স্পষ্ট আমরা ন্যায়, ইনসাফ ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন চাই। আমি ৩০০ আসনের প্রার্থীদের অনুরোধ করবো- দয়া করে মানুষকে স্বাধীনভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন।’
এসময় জনগণের ভোটে যেই নির্বাচিত হোক, রাজনৈতিক দলগুলোর সেই ফলাফল মেনে নিয়ে তাদের সহযোগিতা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।