মুসলিম নারীর হিজাব ও নিকাবকে অবমাননা করে বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন ঠাকুরের মন্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মহিলা বিভাগের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দিকা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ও মহিলা জামায়াতের পক্ষ থেকে নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, ইতিহাস, ধর্মীয় বিধান ও বাস্তবতা—কোনো ক্ষেত্রেই হিজাব বা নিকাবকে অনৈতিক কাজের পরিচায়ক হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।

হিজাব মুসলিম নারীর ঈমান, লজ্জাশীলতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রকাশ। নিকাবও বহু মুসলিম নারীর ধর্মীয় অনুশীলনের অংশ হিসেবে যুগ যুগ ধরে সম্মানের সাথে পরিচিত। কোনো সভ্য সমাজে নারীর পোশাক বা ধর্মীয় চর্চাকে অবমাননা করা গ্রহণযোগ্য নয়।

অতীতে কোনো সম্প্রদায়ের পথভ্রষ্ট অংশ কি করেছিল তা দিয়ে আজকের কোনো ধর্মীয় অনুশীলনকে হেয় করা জ্ঞানগত ভুল এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিকৃতি। এ ধরনের মন্তব্য শুধু বিভাজন সৃষ্টিই করে না, বরং নারীর ধর্মীয় স্বাধীনতাকেও খর্ব করে।

বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ।আর ৯০ ভাগ মুসলিম নারীর হিজাব ও নিকাবকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি ধর্মদ্রোহীতার শামীল।

আমরা বক্তব্য প্রদানকারী নেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের ,সেই সাথে ধর্মীয় অনুভূতীতে আঘাত হানার কারনে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

ধর্মীয় চর্চা নিয়ে ব্যঙ্গ বা ভুল ব্যাখ্যা সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায় না; বরং বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কৃত্রিম সংঘাত সৃষ্টি করে।

আমরা প্রত্যাশা করি—নারীর মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সম্মান জানিয়ে সকলেই সংবেদনশীলতা, সত্য ও শালীনতার পথে ফিরে আসবেন।