গতকাল মঙ্গলবার সকালেই ভোটের প্রচারণার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। তবে ভোট প্রচারণার সমাপ্তির পরে গতকাল সারাদিন কর্মব্যস্ততায় কেটেছে তারেক রহমানের। সারাদেশে নেতা-কর্মী এবং প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছেন টেলিফোনে, কোন এলাকায় কী অবস্থা জেনেছেন তাদের কাছ থেকে, বিদেশী সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলেছেন, দলের কার্যালয়ে এসে সাংগঠনিক কাজও করেছেন তিনি।

গতকাল বিকেলে বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চেয়ারম্যান গুলশানে অফিস করছেন। সকাল থেকে সারাদেশে প্রার্থীদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। নিজে নেতা-কর্মীদের সাথেও কথা বলেছেন। সারাদেশে পরিবেশ কেমন তা তিনি জেনেছেন। সকাল থেকেই কর্মব্যস্ত সময় অতিক্রান্ত করেছেন। এছাড়া চেয়ারম্যানের বক্তব্য এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে সারাদেশে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, গতকাল দুপুরে গুলশানের বাসা থেকে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসেন তারেক রহমান। এখানে এসে টানা দলীয় নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের াসথে কথা বলেছেন তিনি। দিয়েছেন নির্বাচনের দিক নির্দেশনাও। সন্ধ্যায় বনানীর একটি হোটেলে বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছে। এবারে সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ ২৯১ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর ৯টি আসনে বিএনপি তার সমমনা দলগুলোর সাথে আসন সমঝোতা করেছে।

একটানা নির্বাচনী প্রচারণা করেছেন তারেক রহমান। গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলীয়া মাদরাসা থেকে এই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এরপর তিনি মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষনবাড়ীয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়নগঞ্জের মৌচাক, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সোয়াগাজী, দাউদকান্দি, নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও,ময়মনসিংহ, গাজীপুর, ঢাকার উত্তরা, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, বরিশাল, ফরিদপুর, ঠাকুগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর সর্বমোট ২৭টি নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। সব মিলিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে ৯ দিনে ৪১টি জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।