আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বনানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষা পূরণের লক্ষে জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি করা ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে ৫টি হ্যাঁ এবং ৫টি না রয়েছে। হ্যাঁ-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। না-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।
‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা ইশতেহার জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ‘জনতার ইশতেহার’ নামে একটি ওয়েবসাইটে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হলে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার নাগরিক মতামত দেন ও তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। ওয়েবসাইটে দেয়া মানুষের প্রত্যাশা ও মতামতকে ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে।