বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও খুলনা-৬ আসনের (কয়রা-পাইকগাছা) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জয় মানেই হলো কয়রা-পাইকগাছার অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জয়। এই জয় কোন ব্যক্তির একক সাফল্য নয়, বরং এটি হবে এই জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের অধিকার প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত বিজয়। শুক্রবার (২৩ শে জানুয়ারি) সকালে কয়রা উপজেলার ঘুগরাকাটী বাজারে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এছাড়াও মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দিনব্যাপী কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের হরিনগর, মহারাজপুর ইউনিয়নের মাদার বাড়ি বটতলা বাজারে পথসভা ও অন্তাবুনিয়া বাজারে পথসভা, বেদকাশী ইউনিয়নের কাছারিবাড়ি ও কয়রা সদর ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

ঘুগরাকাটী বাজারে অনুষ্ঠিত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন বাগালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর হাফেজ আব্দুল হামিদ। বাগালী ইউনিয়নের কর্মপরিষদ সদস্য সরোয়ার হোসেনের পরিচালনার বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার গিফারী, কয়রা উপজেলা সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, কয়রা সদর ইউনিয়ন আমীর মিজানুর রহমান, যুব বিভাগের থানা সেক্রেটারি জি এম মোনায়েম বিল্লাহ, যুব বিভাগের কয়রা সদর ইউনিয়ন সভাপতি হাফেজ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ উপকূলীয় এই অঞ্চলের সংকটের কথা তুলে ধরে বলেন, কয়রা-পাইকগাছার মানুষ দীর্ঘকাল ধরে অবহেলিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর অবকাঠামোগত অনুন্নয়ন আমাদের নিত্যসঙ্গী। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে আমরা অবহেলিত উপকূলবাসীর ন্যায্য দাবি ও আশা-আকাক্সক্ষা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখব ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমি নিজেকে উৎসর্গ করার শপথ নিয়েছি। আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া থাকলে আমরা একটি ইনসাফ কায়েম ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তুলব। তিনি উপস্থিত জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গড়তে এবং আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করুন।