ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা ও দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে জামায়াত সব সময়ই আপোষহীন সব সময় আপোষহীন ছিলো এবং আগামী দিনেও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন।
গতকাল শনিবার রাজধানীর শিল্পাঞ্চল থানার কুনিপাড়ার স্থানীয় একটি মিলনায়তনে শিল্পাঞ্চল থানা জামায়াত আয়োজিত স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। থানা আমীর কলিম উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন। উপস্থিত ছিলেন হাতিরঝিল অঞ্চল টীম সদস্য ইউছুফ আলী মোল্লা, থানা কর্মপরিষদ সদস্য আছাদ উদ্দিন আছাদ, নুরে আলম, আসাদুজ্জামান মুন্না ও মোন্তাজুল হক প্রমুখ। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মুরব্বি ও বাড়ীওয়ালারা অংশগ্রহণ করেন।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, আমাদের দেশের মানুষ অতিশয় সংবেদনশীল ও শান্তিপ্রিয়। তারা একটি শান্তির দেশ সর্বোপরি একটি শান্তিময় সমাজ ও মহল্লা চান। দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজী মুক্ত পরিবেশে সাচ্ছন্দ্যের সাথে বসবাস করতে চান। আল্লাহর রহমতে জনগণের ভালবাসা ও সমর্থনে যদি আমি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে সুখ-শান্তিময় একটি কুনি পাড়া উপহার দিতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। আমরা এমন এক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখি, যে সমাজে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে দেশের সকল নাগরিক আইনের সকল সুযোগ ভোগ করবেন। মানুষে মানুষে কোন বৈষম্য থাকবে না। দেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত। এজন্য আগামী দিনে আপনাদেরকে সকলের অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালবাসা খুবই জরুরি। তিনি সে স্বপ্নের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে ময়দানের আপোষহীন থাকার আহবান জানান।
তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রু। তারা ২০০৮ সালে পাতানো ও সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দিয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় বাকশালীরা জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি বাতিল করে পর পর ৩টি তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নবায়ন করে নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর অপশাসন-দুঃশাসন চালিয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের জন্য নির্মম দলন-পীড়ন চালানো হয়েছে। কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে জাতীয় নেতৃত্বকে হত্যা করে দেশের পবিত্র জমিনকে রক্তাক্ত ও কলক্সিক্ষত করা হয়েছে। কিন্তু তাদের শেষ রক্ষা হয়নি বরং ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে তাদেরকে লজ্জাজনকভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। তিনি নির্বাচনের আগেই গণভোটের আয়োজন করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় জুলাই বিপ্লব অর্থহীন হয়ে পড়বে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।