মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর শুক্রবার দুপুরে নির্বাচনী এলাকা লালমনিরহাট সদর উপজেলায় আসেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। রাতের আঁধারে লালমনিরহাট সার্কিট হাউসে এসে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের ২ নেতা ও একাধিক মামলার আসামি।
৩দিনের সফরে এসে মন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষজনের ভালোবাসায় সিক্ত হন। তবে রাতের আঁধারে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের ওই ২ নেতা। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সার্কিট হাউসে এসে একসঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সারোয়ার আলম। মহুর্তে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো আওয়ামীলীগের ওই ২ নেতার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়। পক্ষে বিপক্ষে নানা সমালোচনার ঝড় উঠে।
এ ব্যাপরে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো ওই ২ নেতার মন্তব্য পাওয়া না গেলেও জেলা আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খোলস পাল্টিয়েছে ওই ২ নেতা। তারা নিজ স্বার্থে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিশে গেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন জানান , উত্তরের জনপ্রিয় নেতা অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু সবার মন্ত্রী। তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা সবাই জানাতে পারেন। আর আইনের চোখে কেউ অপরাধী হলে তা অবশ্যই প্রশাসন দেখবেন।
এসব চিন্হিত ও দূর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের অপরাধীকে বিএনপির একজন বড় মাপের নেতা যখন ফুলেল শুভেচছা দেয়ার নামে বরণ করিয়ে নেন। তখন ধরে নিতে হবে। ছাএ জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ কে নিয়ে, তিনি যড়যন্ত্রে লিপ্ত। এমনটাই মন্তব্য সচেতন মহলের।