আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘদিন পর অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশায় দিন গুনছেন দেশের নাগরিকরা। এবারের নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আসন্ন এই নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে ২২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীরা। এর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রাক্তন ১০ জন শিক্ষার্থী দেশের ১০টি আসনে জামায়াতের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এসব প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার আসনগুলো হলো— ঢাকা-০১, ঢাকা-০৬, জামালপুর-০১, জামালপুর-০২, জামালপুর-০৪, চুয়াডাঙ্গা-০১, নেত্রকোনা-০৫, কুষ্টিয়া-০৩, নড়াইল-০১ ও নওগাঁ-০৩।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী জামালপুর-০১ আসন থেকে এবং একই বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ড. সামিউল হক ফারুকী জামালপুর-০২ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। একই বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুফতি আমির হামজা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুষ্টিয়া-০৩ আসনে।

আইন বিভাগের ১৯৮৭-৮৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল জামালপুর-০৪ আসন থেকে, ১৯৯২-৯৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম ঢাকা-০১ আসন থেকে এবং ২০০২-০৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম মোস্তফা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নেত্রকোনা-০৫ আসনে।

এছাড়া আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ঢাকা-০৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী। অর্থনীতি বিভাগের ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান নওগাঁ-০৩ আসনে এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০০২-০৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওবায়দুল্লাহ কায়ছার নড়াইল-০১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বশীল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।