জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, জামায়াত মানবতার কল্যাণ সাধন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়। বাংলাদেশের সবুজ ভূখন্ডে ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করতে চায়। ইসলামী আন্দোলনের পথ কোনকালেই সহজ ছিলনা। আগামীতেও যে কোন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। জামায়াতের দায়িত্বশীলদেরকে দেশ-জাতির জন্য অতন্দ্র প্রহরীর ভুমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, ইতিহাস স্বাক্ষী আমাদের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। জুলুম-নিপীড়ন চালানো হয়েছে, শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে শহীদ করা হয়েছে। আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সকল জুলুম নিপীড়ন উপেক্ষা করে আমরা নীতি আদর্শের প্রতি আজো অবিচল রয়েছি। বরং জালিমরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এদেশে জালিম ও ফ্যাসিবাদীদের সব সময় করুন পরিনতি বরন করতে হয়েছে। আবার কেউ ফ্যাসিস্ট হতে চাইলে তাদেরকেও পেছনের ইতিহাসের দিকেই ফিরে যেতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা আজো ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী পূর্ব থানা জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। থানা আমীর রফিকুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুহিব আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে কোতোয়ালি থানা পূর্বের আওতাধীন সকল ইউনিট সভাপতি ও সেক্রেটারীগণ অংশ নেন।
শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী। দারসুল কুরআন পেশ করেন মহানগর জামায়াতের বায়তুল মাল সেক্রেটারী মুফতী আলী হায়দার।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- থানা জামায়াত নেতা মু. এখলাসুর রহমান, আব্দুশ শহিদ জোয়ার্দার, ইলিয়াস আলী তালুকদার, এডভোকেট জুনেদ আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা সিদ্দিক আহমদ, ওয়ার্ড দায়িত্বশীল মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুল মোতালেব, আব্দুল মুকিত জাকারিয়া, আব্দুল ওয়াহিদ ও শাহীন উদ্দিন প্রমুখ।