বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে। তিনি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে না নিয়ে বিএনপি জনগণের সঙ্গে শুধু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে না, জনগণের সঙ্গে প্রতারণাও করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বর্তমান সরকারের মন্ত্রীরাও গণভোটে হ্যাঁ ভোট চেয়েছে। কিন্তু গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হওয়ার পর বিএনপি গণভোট মানে না। তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান আজকের প্রধানমন্ত্রী যদি গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে থাকেন তবে তিনি কেন গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না। ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে বিএনপি যেসব প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে গণভোট জয়যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই নোট অব ডিসেন্ট বাতিল হয়ে গেছে। এজন্যই বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তারা ছলে-বলে কৌশলে ফ্যাসিবাদের পথে ফিরে যেতে চায়। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোট বাতিল করার অর্থ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নিজের দেওয়া ভোটকে নিজে অস্বীকার করছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, আপনি গণভোটে “হ্যাঁ’’ ভোট দিয়েছেন নাকি “না” ভোট দিয়েছেন! যদি হ্যাঁ ভোট দিয়ে থাকেন তবে গণভোট বাতিল করার অর্থ হচ্ছে আপনি (প্রধানমন্ত্রী) নিজের দেওয়া ভোটকে নিজে অস্বীকার করছেন। তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সরকার আমাদেরকে রাজপথে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা ৭০ শতাংশ জনগণের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে এসেছি। সংসদে সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ না নিলে রাজপথেই সমাধান হবে। সরকারের যাত্রা দেখে মনে হয় সরকার ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করছে। তিনি জনগণের মুখোমুখি না হতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর শাহবাগে গণসংযোগ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দীন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে একই তফসিলে দুটি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর বিএনপি একটি নির্বাচনকে বৈধ বলছে আরেকটি নির্বাচনকে অবৈধ বলছে! বিএনপির দ্বিচারিতা আচরণ জনগণের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতার সামিল। খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, বিএনপি জনগণের গণভোটের রায়কে অস্বীকার করে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন দুর্বার গতিতে চালিয়ে যেতে হবে। বিএনপি সহজ ভাষা বুঝবে না। গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপিকে বাধ্য করতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা গণভোটে জনগণের রায় মেনে নেবে। তারা ৫১ শতাংশ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায়কে মেনে নিচ্ছে না। বিএনপি ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে ৫১ শতাংশ জনগণের রায়কেও আমরা বৈধ বলতে পারি না। তিনি বিএনপিকে বিগত ১৭ বছরের কথা স্মরণ করে দিয়ে বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণ আপনাদের পক্ষে ছিল। কিন্তু আপনাদের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডে আগামীতে জনগণকে পাশে পাবেন না। জনগণকে পাশে পেতে হলে গণবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিহার করে জনরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে তিনি বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ডাকসুর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মিনহাজ বলেন, আমরা জনগণের কাছে ক্লিয়ার করে দিতে চাই বিএনপি কিভাবে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা রিপোর্ট বিএনপিকে জানানো হয়েছে। গণভোটের পক্ষে অবস্থান না নিলে জনগণ বিএনপিকে ভোট দেবে না। পরবর্তীতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে জনগণকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিতে অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু তারা ক্ষমতায় গিয়ে গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে উচ্ছেদ করতে জনগণ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আজ এবং আগামীতেও কেউ ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চাইলে জনগণ আবারও একইভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নব্য ফ্যাসিবাদকে দেশ থেকে বিতাড়িত করবে।
এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা বলেন, শুধুমাত্র সংসদে সংখ্যাগরিষ্টতার জোরে যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণভোটের রায় উপেক্ষা করে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথে হাঁটছে তাদের পরিণতি আওয়ামী লীগের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি’র (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতা এসে ২০১৪ সালে ফ্যাসিবাদী হিসেবে আবির্ভাব হয়েছে। কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসে এক মাস হতে না হতেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায় উপেক্ষা করে নতুন ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে আরেকটি ৫ আগস্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের পরিচালনায় গণসংযোগ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি এডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামুল বশির সহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ, রাজধানীর শাহবাগে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকজনের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন।
উল্লেখ, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৯ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে গণসংযোগ অভিযান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
খুলনা ব্যুরো জানায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা মহানগরী আমীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচীর বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের মতামতকে অমান্য করে বর্তমান সরকার জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। দেশের গণতন্ত্র, জনগণের ক্ষমতা এবং সাংবিধানিক অধিকার আজ হুমকির মুখে পড়েছে। বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, “গণভোটের রায় মেনে না নেওয়ার অর্থ হচ্ছে ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে এখন জনরায় মেনে নিচ্ছে না। কীভাবে জনরায় বাস্তবায়ন করা লাগে জনগণ সেটি ভালো করেই জানে। সোজা পথে না আসলে জনগণ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।” কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের লিফলেট বিতরণকালে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলমের পরিচালনায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুফতী শরীফ সাঈদুর রহমান, খেলাফত মজলিস খুলনা মহানগরী সভাপতি এফ এম হারুন আর রশিদ, লেবার পার্টি খুলনার সভাপতি প্রিন্সিপাল আ স ম সাইফুদ্দোহা, এনসিপি খুলনা মহানগরীর সংগঠক মো. শামসুল আরেফিন, খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির খুলনা মহানগর সভাপতি এডভোকেট হানিফ উদ্দীন, মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, হরিণটানা থানা আমীর মো. আব্দুল গফুর, সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি জাহিদুর রহমান নাঈম প্রমুখ। আগামীকাল ১১ এপ্রিল শনিবার বিকেল ৫টায় বাইতুন নুর কমপ্লেক্স মসজিদ চত্বরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা ব্যুরো ও ফুলতলা উপজেলা সংবাদদাতা জানায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন বলেছেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। জামায়াত মনে করে শেখ হাসিনা সরকার সংবিধানের যে ক্ষমতাবলে ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল, সেই সংবিধানের সংস্কার না করলে আবারো সরকার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পারে। সে কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচিত দল সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম সরকার এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি বাজারে লিফলেট বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, কর্মপরিষদ সদস্য মাষ্টার শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুহা. আমিনুল ইসলাম, মো. আশরাফুল আলম, এনসিপি'র খুলনা জেলা প্রধান সমন্নয়কারী মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স (ঘটঅ) এর কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মাদুল্লাহ হাফেজী আরিয়ান, ফুলতলা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্যা, খানজাহান আলী থানা আমীর ডা. সৈয়দ হাসান মাহমুদ, সেক্রেটারি গাজী মোর্শেদ মামুন, ফুলতলা উপজেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা শেখ ওবায়দুল্লাহ, সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল হাসান খাঁন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ড. আজিজুল হক, হাফেজ গোলাম মোস্তফা,মোশাররফ হোসেন, হাফেজ আব্দুস সাত্তার, শেখ মো. আলাউদ্দিন, আবুল কালাম মহিউদ্দিন, আমির হামজা, মো. নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, খুলনা জেলা ছাত্রশিবির নেতা সৈয়দ মো. তারিক হাসান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ফুলতলার সভাপতি আব্দুল হালিম শেখ প্রমুখ।
রাজশাহী : অবিলন্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে রাজশাহীতে লিফলেট বিতরণ করেছে জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর শিরোইল বাসটার্মিনাল এলাকার জনসাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
লিফলেট বিতরণকালে জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেই গণভোটের রায়কে বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন না করে টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করছে, যা জনগণের সাথে এক ধরনের প্রতারণা।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) রাজশাহী মহানগরীর আহব্বায়ক মোবাশ্বের আলী, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুল, মো. শাহাদাৎ হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, ব্যাবসা ও কল্যান সম্পাদক, অধ্যাপক একেএম সারওয়ার জাহান প্রিন্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
চট্টগ্রাম ব্যুরো : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার সংসদে সংখ্যাধিক্যের ক্ষমতা অপব্যবহার করে জনগণের পবিত্র রায়কে আজ চরমভাবে অবজ্ঞা করছে। সরকারের এহেন একগুঁয়েমি ও জনবিমুখ অবস্থান আধিপত্যবাদের ইশারায় নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েমের অপচেষ্টা। ১১ দলীয় ঐক্য সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে হ্যাঁ ভোটের ম্যান্ডেটকে বাস্তবায়ন করেই ছাড়বে ইনশা-আল্লাহ্।
নগর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দলীয় সিন্ডিকেটের কারণে দেশে জ্বালানি সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষে নেয়নি, ফলে সৃষ্ট জনভোগান্তির দায় সরকার এড়াতে পারে না।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দরা বলেন আগামী ১১ এপ্রিল ১১ দলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সফল করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল খুলশী থানা আমীর অধ্যাপক আলমগীর ভূঁইয়া, জাগপার নেতা মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
ঢাকা জেলা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা শাখার আয়োজিত সাভার মডেল মসজিদের সামনে থেকে জেলা আমীর মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলার নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রউফ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আফজাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হাসান মাহবুব মাস্টার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক লুৎফর রহমান মোল্লা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি হারুনর রশীদ, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আসাদুজ্জামান জীম, সাভার পৌর আমীর আজিজুর রহমান, সাভার থানা আমীর আব্দুল কাদের, আশুলিয়া থানা আমীর বশির আহমেদ, সাভার পৌর সেক্রেটারি আব্দুস সালাম, সাভার থানার সেক্রেটারি শরিফুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয় থানার সেক্রেটারি সোহেল রানা প্রমুখ।
সিলেট ব্যুরো জানায়, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সিলেটে লিফলেট বিতরণ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর বন্দরবাজার পয়েন্ট থেকে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সিলেট মহানগর নেতৃবৃন্দ। লিফলেট বিতরণকালে সিলেট মহানগর ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
লিফলেট বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ আওয়ামী ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছিল। ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় গিয়ে ফের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা শুরু করেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিএনপি একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পথে হাঁটছে। যা জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল। বিএনপি সরকার গায়ের জোরে রাষ্ট্র সংস্কারের পথ রুদ্ধ করছে। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপই আজ জনস্বার্থের পরিপন্থী।
লিফলেট বিতরণকালে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- ১১ দলীয় ঐক্য সিলেট মহানগরের সমন্বয়ক ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সদস্য সচিব কামরুল হাসান আরিফ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা এমরান আলম, জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ ইকবাল হছাইন ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো: ফখরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুল হান্নান তাপাদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মনজুরে মাওলা, বাংলাদেশ লেবারপার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল আমীন, এবি পার্টির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি সিলেট মহানগর আমীর মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার ও বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইসলাম উদ্দিন প্রমুখ।
বরিশাল অফিস : গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগ বরিশাল মহানগরীতে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমীর মাওলানা জহির উদ্দিন মু. বাবরের নেতৃত্ব নগরীর রুপাতলি বাসস্ট্যান্ডে উক্ত কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তারিকুল ইসলাম, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য শামীম কবির, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, মাওলানা শফিউল্লাহ তালুকদার, মাহফুজুর রহমান আমিন, কাউনিয়া থানা আমীর মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবসায়ী বিভাগের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদার, ব্যাংকার্স বিভাগের সভাপতি মুজিবুর রহমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
কুমিল্লা অফিস : গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল, অ্যাডভোকেট নাছির আহমেদ মোল্লা, কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।
বান্দরবান সংবাদদাতা : গতকাল বৃহস্পতিবার বান্দরবান জেলা সদরে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের উদ্যোগে গনভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে লিফলেট বিতরণ উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমীর এস এম আবদুচ সালাম আজাদ এই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন।
এসময় এনসিপি বান্দরবান জেলা আহ্বায়ক ম চা প্রূ চৌধুরী, খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি হাফেজ আবদুচ ছোবহান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, সদর উপজেলা আমীর এডভোকেট মো: সোলায়মান, এন সি পি নেতা মে শৈয় প্রু চার্লী, সায়েম হোসেন, আবদুল গফুর, বিপ্লব চাকমা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বান্দরবান জেলার সেক্রেটারি জনাব মাও: আবুল কাশেম সহ উপজেলা পৌরসভা জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট সংবাদদাতা : গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১দলীয় ঐক্যের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাগেরহাট জেলার নেতৃবৃন্দ জেলা শহরে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বাগেরহাট শহরের দশানী ট্রাফিক মোড়ে স্থানীয় জনতার মধ্যে ১১ দলীয় ঐকের নেতাকর্মীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ শুরু করে। ১১ দলীয় ঐকের অন্যতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাগেরহাট জেলা শাখার আমীর মাওলানা রেজাউল করিমের নেতৃত্বে উক্ত লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয় । এ সময় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন,অ্যাডভোকেট মুস্তাইন বিল্লাহ,এনসিপির জেলা প্রধান সমন্বয়কারী সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, ফকিরহাট উপজেলা সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান,জেলা যুবশক্তির সদস্য সচিব সাব্বির মীর সহ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন,বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ফেনী সংবাদদাতা : ফেনীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে শহরে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আছর ফেনীর কেন্দ্রীয় বড় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহীমের সঞ্চালনায় এতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী ফেনী জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি আবদুল হান্নান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু ইউছুফ, খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা মোজাফ্ফর আহমদ, জেলা যুগ্মসেক্রেটারি মাওলানা আজিজ উল্যাহ আহমদী, এবি পার্টির জেলা সভাপতি মাষ্টার আহসান উল্যাহ ও জেলা সেক্রেটারি ফজলুল হক, ডেভেলপমেন্ট পার্টির জেলা সেক্রেটারি মোঃ ইসমাইল, জামায়াতের শহর আমীর ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা : গণভোটের রায় অমান্য করে সংবিধান সংস্কারে একতরফা উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ঝিনাইদহে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনমত গঠনে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঝিনাইদহ জেলা নায়েবে আমীর ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আলীম, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল এবং শহর আমীর ইসমাইল হোসেন। এছাড়াও ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা আহ্বায়ক আরেফিন কায়সার ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলাউদ্দিন জর্দারসহ অন্যান্য নেতারা।
রাজবাড়ী সংবাদদাতা : ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহ দলীয় জোটের উদ্যোগে রাজবাড়ী রেলগেট সংলগ্ন শহীদ স্মৃতি চত্বর সহ আশপাশের এলাকায় ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসের সূরা সদস্য জেলা জামায়াতের আমীর এ্যাডঃ মোঃ নুরুল ইসলাম। কর্মসূচিতে আরও অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মোঃ হাসমত আলী হাওলাদার, জেলা সেক্রেটারি মোঃ আলিমুজ্জামান, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হারুনুর অর রশীদ, পৌরসভা শাখার আমীর ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ হেলাল উদ্দিন, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহাম্মদ খান, পৌরসভা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ লিয়াকত হোসেন সহ আরও অনেকে।
জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতা : জনগণের ক্ষমতা ও মর্যাদা রক্ষায় গনভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জয়পুরহাটে লিফলেট বিলি করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের পুর্ববাজারে এই কর্মসুচির উদ্বোধন করা হয়।