ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতাকে হেনস্তা ও ঘাড় ধরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় (ডিসি অফিস) থেকে বের করে দিয়েছেন বিএনপির দলীয় প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার এপিএস সোহেল।

গত রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভা কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভার পর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা আতাউর রহমান আতা অভিযোগ করে জানান, যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসকের হল রুমে অবস্থানকালে আফরোজা খানমের এপিএস সোহেল তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাকে হেনস্তা করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, আফরোজা খানমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি টাকার গ্যাস বিল বকেয়া থাকার তথ্য নিয়ে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার সময় এপিএস সোহেল, যুবদল নেতা উজ্জ্বল এবং পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জাদু তাকে হেনস্তা করেন।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ঘটনার সময়কার উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দৃশ্যমান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এদিকে, প্রশাসনের সামনে আলোচনার একপর্যায়ে অভিযুক্ত এপিএস হেনস্তার বিষয়টি স্বীকার করেছেন সেই এপিএস সোহেল। তবে তিনি ঘটনাটিকে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি ও ভুল বোঝাবুঝির ফল বলে দাবি করেন।

ঘটনার পর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কিছু সময় উত্তেজনাকর পরিবেশ বিরাজ করলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় ভিডিও চিত্র ও সংবাদ প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টার গুঞ্জন উঠেছ। এসব বিষয়ে আফরোজা খানমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।