বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, মাহে রমাদান তাকওয়া অর্জনের মোক্ষম সময়। যথাযথ মর্যাদার সাথে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন মুমিন পূর্ণাঙ্গ মুত্তাকি হওয়া সম্ভব। কারো অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকলে সে যেমন ইবাদত—বন্দেগীতে ত্রুটি করতে পারে না; পাশাপাশি কোনো ধরনের অপরাধেও জড়ানোর আশঙ্কা থাকে না। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—সহ মানব জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাকওয়ার যথাযথ চর্চার মাধ্যমে সমাজ থেকে অপরাধ, অন্যায় ও জুলুম দূর করা সম্ভব।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের উদ্যোগে সেন্ট্রাল পাবলিক লাইব্রেরীতে “সিয়াম ও রমাদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল” এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে ও জেনারেল সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমীন (এমপি) এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি তার বক্তব্যে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মুফাসসিরদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং যে কোনো সামাজিক সংকট দূরীকরণে মুফাসসিরদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার জন্য আহবান জানান। মুফাসসিরদের বক্তব্যে কাওকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য না করে এখতেলাফী বিষয় এড়িয়ে হিকমাহর সহিত বক্তব্য দেয়ার পরামর্শ দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শাইখুল হাদিস মাও যাইনুল আবেদীন, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাও. আব্দুস সাত্তার, মাননীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মাও মুনতাকিম, মাননীয় সংসদ সদস্য মুফতি আমীর হামজা (কুষ্টিয়া), অধ্যক্ষ মাও মোশাররফ হোসাইন, ড. মাও হাবিবুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মাও আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, ড. আ ন ম রশিদ আহমাদ মাদানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন মাজলিসের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল মোমেন নাসেরী (পীর সাহেব মিরেরসরাই), সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী মাওলানা ফখরুদ্দিন আহমাদ, মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাও এ এইচ এম আবুল কালাম আযাদ, ড. মুফতি জাকারিয়া নুর, মাওলানা আব্দুল কাহহার নেসারী, মুফতি মাসুম বিল্লাহ মাদানী।