রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি থেকে সাংবাদিকদের বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকতাকে রাজনীতির জায়গায় না এনে জাতি গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি থাকুক, সাংবাদিকদের ঐক্য যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, তাহলে গোটা জাতিকে ঐক্যের ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ সারাদেশের ১৮টি অঙ্গ ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। বিকালে ছিল কর্ম অধিবেশন যেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা।

আলাচনায় অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল) সঠিকভাবে বলেছেন, সাংবাদিকদের তাদের নিজস্ব যে দাবি দাওয়া, তাদের নিজস্ব যে কাজ এবং ইউনিয়নের মূল যে কাজটা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে মালিক পক্ষ অথবা সরকারের সঙ্গে কাজ করা, সেটাই বোধহয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কোন রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করলে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনারা যদি কেউ বিরোধী দল বলেন বা সরকারি দল বলেন, তাহলে সেটা কোনদিন হয় না। গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদ অর্থাৎ শেখ হাসিনা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের এই জায়গাটাকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি অনুরোধ করব আপনাদের নেতৃবৃন্দকে সেই জায়গা থেকে আপনারা বের করে আনার চেষ্টা করেন।

নির্বাচনের জন্য জাতি উন্মুখ মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, এমন একটা সময় এখন, যে সময়টার জন্য গোটা জাতি অপেক্ষা করে আছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা ফিরে যেতে সক্ষম। আমরা সবাই এটা(নির্বাচন) চাই। একই সঙ্গে আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা গণতন্ত্রে ফিরে যেতে চাইলে অপরের যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সেটাকে আমাদের একই সঙ্গে মূল্য দিতে হবে। মূল জায়গায় ঐক্য থাকবে কিন্তু ভিন্নতাও তো থাকবে। গণতন্ত্রের মূল কথা এই জায়গায় যে আমি আপনার সঙ্গে একমত হবো না কিন্তু আপনার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে আমি অবশ্যই সেটাকে রক্ষা করব।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে শত্রু মনে করা হয়। তার সম্পর্কে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার চালানো হয়, এই বিষয়গুলো থেকে আমাদের সকলেরই একটু বিরত থাকা উচিত।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সবচেয়ে বড় ক্রাইসিসটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীতে, সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়া। এই সোশ্যাল মিডিয়া যেহেতু সেখানে কোন দায়বদ্ধতা নেই যা খুশি তাই বলা যায়। এমনভাবে রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ীদের সকলের সম্পর্কে যে নেগেটিভ প্রচারণা চালানো হয়, তাতে করে কিন্তু গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে তারা এমনভাবে প্রচারণা চালান যে তা বাংলাদেশে আজ একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেটা আমার কাছে মনে হয় যে একটা এক ধরনের এনার্কি, এক ধরনের একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করবার চেষ্টা করেছে। মব ভায়োলেন্স তৈরি করা হচ্ছে, মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণ করা হচ্ছে। একজন মানুষকে ভিন্নভাবে প্রচারিত করা হচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে আমাদের গণতান্ত্রিক যে যাত্রা সেই যাত্রাতে কিন্তু আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি প্রমাণিত একটি রাজনৈতিক দল। যে দলটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয়েছে, যার প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থায় নিয়ে এসেছিলেন এবং বন্ধ করে দেওয়া সমস্ত পত্রিকাগুলো খুলে দিয়েছিলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। ঠিক একইভাবে পরবর্তীকালে বেগম খালেদা জিয়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য যা কিছু করা দরকার তিনি চেষ্টা করেছেন। আমরা আমাদের ৩১ দফায় খুব পরিষ্কার করে বলেছি, আমরা নিশ্চিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অর্থাৎ পুরোপুরি ইন্ডিপেন্ডেন্ট থাকবে, স্বাধীন থাকবে সে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব। এ ব্যাপারে আমাদের কমিটমেন্ট পরীক্ষিত।

আপনার মির্জা ফখরুল বলেন অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে, চাকরির ক্ষেত্রে বা অন্য ক্ষেত্রে ইউনিয়নকে আরো শক্তিশালী হতে হবে। আপনাদেরকে শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াতে হবে, কোন দলের লেজুড়বৃত্তি না করে আপনাদেরকে দাঁড়াতে হবে তাহলেই আপনি আপনার অধিকার আদায় করতে পারবেন। অর্থাৎ সত্যিকার অর্থে ইউনিয়নের দায়িত্বটা আপনাকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করতে হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন বিএনপি মহাসচিব।

ঐক্য অটুট রাখার উপর জোর দিয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সাংবাদিকদের দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়াবার বড় শক্তি হচ্ছে আপনাদের ঐক্য। সাংবাদিকদের ঐক্যকে অটুট রাখা। আমরা দেখতে পারছি, ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শাখায় আপনাদের ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যে সমস্ত এফিলেটেড ইউনিয়নগুলো আছে, সেখানে এবং ঢাকায় নিজেদেরই একটা বিভক্তি আছে সারা দেশে। তারপরে আমাদের মধ্যে বিভক্তি শুরু হয়ে গেছে। ফলে রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি থাকুক, সাংবাদিকদের ঐক্য যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, তাহলে জাতি গঠনে গোটা জাতিকে ঐক্যের ক্ষেত্রে আমরাও ভূমিকা রাখতে পারব।

বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিনের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সহকারি মহাসচিব বাছির জামাল ও প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, এলাহী নেওয়া খান সাজু, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, মুন্সি আবদুল মান্নান, বাকের হোসাইন, বিএেইউজের এরফানুল হক নাহিদ, ১৮টি অঙ্গইউনিয়নের সভাপতির মধ্যে চট্টগ্রামের মো. শাহ নওয়াজ, রাজশাহীর আবদুল আউয়াল, খুলনার রাশিদুল ইসলাম, বরিশালের আজাদ আলাউদ্দিন, যশোরের আকরামুজ্জামান, বগুড়ার গণেশ দাশ, কক্সাবাজারের নুরুল ইসলাম হেলালী, কুমিল্লার শাহিন মির্জা, দিনাজপুরের সাদাকাত আলী, কুষ্টিয়ার আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু, ময়মনসিংহের আইয়ুব আলী, গাজীপুরের দেলোয়ার হোসেন, সিলেটের বদরুজ্জামান বদর, ফেনীর সিদ্দিক আল মামুন, রংপুরের সালেকুজ্জামান সালেক,নারায়নগঞ্জের আবু সাউদ মাসুদ, মুন্সিগঞ্জের কাজী বিপ্লব হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অনেক দেশ সাংবাদিকতাকে তাদের সভ্যতার প্যারামিটার হিসেবে মনে করে। অনেকেই এটিকে তাদের দেশের রাজনীতির অঙ্গ হিসেবেও মনে করে থাকে। একটি দেশের গণতন্ত্র, একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে কি কি করা প্রয়োজন. তারও একটি নির্দেশনা দেয় এই সাংবাদিকরা। তিনি বলেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তিনটি শক্তির প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে একটি হচ্ছে সে দেশের গণমাধ্যম, দুই হচ্ছে সে দেশের রাজনৈতিক দল এবং তিন হচ্ছে সে দেশের জনগণ। তিনটার মধ্যে ঐক্যের শক্তি সমন্বয়ের শক্তিটা কিন্তু অসাধারণভাবে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকরা এগিয়ে নিতে পারে। আমি মনে করি এই ঐক্যের কাজটা বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মানুষের গণ আকাংখা বাস্তবায়নে সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখবেন বলে আমি আশা রাখি।

সাবেক এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, যেমন তারা অতীতের সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামে রাজপথে স্বোচ্চার ছিলেন। আমার জানা মতে এ পর্যন্ত ৬৮জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা জীবন দিয়েছেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনেও ৬জন সাংবাদিক জীবন দিয়েছেন। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে।

তিনি বিলেন, আমাদের জন্য শুধু নয়, সারা পৃথিবীতে সাংবাদিকতার যে লক্ষ্য, সে লক্ষ্যের দিকে আমরা স্থির থাকতে বা চলতে পারছি না। যেখানে অনৈতিকতা, সুবিধা, স্বার্থ আমাদের ঘিরে ধরে। যার মাধ্যমে এই পেশার সন্মান-মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম, সংবাদপত্রের মিডিয়া হাউজগুলো যেন কোনো ব্যক্তির ব্যবসা, কোনো পূজি মালিকের পূজি রক্ষা, কোনো রাজনীতিকের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা, অর্থনীতি এবং দুর্নীতি লুটপাটের পাহারাদার হিসেবে গড়ে উঠেছে এবং মালিকরা সেটি নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছে। অথচ সাংবাদিকতা পেশার মূল কথা ছিল সত্য সংবাদকে সমাজে তুলে ধরা, সাদাকে সাদা বলা, কালোকে কালো বলা। কিন্তু আমরা সেটি পারছি না। আমরা পূজিপতি, রাজনৈতিক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে সাদাকে সাদা বলতে পারি না, কালোকে কালো বলতে পারি না। আমরা যেন অন্ধকার ধোয়ার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে গেলে সাংবাদিকতার এই মহান পেশার বৈচিত্র্য, সোনালী অতীতকে সামনে রেখে সমস্ত স্বার্থ ত্যাগ করে জাতির জন্য ত্যাগ তীতিক্ষার উদাহরণ তৈরী করতে পারেন। তিনি বলেন, আসুন আমরা জাতীয় ঐক্যকে আরো সুদৃঢ় করতে সমস্ত বাধার জাল ছিন্ন করে মহান এ পেশাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করি।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু ভিন্নতা থাকবেই। সব কিছু এক হয়ে যাওয়া সম্ভব না এ কারণে যে, প্রত্যেকটা দলের একটা কর্মসূচি লক্ষ্য উদ্দেশ্য রয়েছে। কিন্তু এটাও ঠিক, কিছু কমন জাতীয় ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে জাতির কঠিন সময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে একসাথে থাকতে পারি। তার মধ্যে প্রথম হচ্ছে, এ বাংলাদেশকে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটাতে বিএনপি-জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলের মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। এটাতে আমাদের ঐক্য হতেই হবে। দূর্নীতিকে আমরা প্রশ্রয় দিবো না। প্রধান উপদেষ্টা এমনকি দুদক চেয়ারম্যানও বলেছেন, আগামী নির্বাচনে যদি দেশকে দূর্নীতিমুক্ত করতে চান, তাহলে দূর্নীতির সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের না বলুন। এটাতে আমরা যদি একমত হতে পারি, তাহলে দেশটা ভালো থাকবে। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উৎপাদনমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যদি কাজ দিতে পারি, তাহলে তারুণ্যের উচ্ছাসে লাল সবুজের এই পাতাকা আবারো উজ্জল হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, ভিন্ন মতের দমনপীড়ন বন্ধে আমরা একমত হতে পারি। আমরা ক্ষমতায় গেলে অন্যের সমালোচনা সহ্য করতে পারি না। বিনা অপরাধে মামলা, জেল জুলুম, ফাঁসি, আয়নাঘর, নির্যাতন এগুলো থেকে আমরা যেন মুক্তি পেতে পারি, সেই জায়গায় আমাদের একমত হতে কোনো অসুবিধা নেই। অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্য, কলকারখানা, আমদানি রপ্তানীর চাকাকে গতিশীল রাখতে পরিবেশকে স্বাভাবিক রাখবো। এটাতে আমরা একমত হতে পারি। আমরা কোনো অর্থপাচারকে সাপোর্ট করবো না, চুরি, লুটপাটকে সহ্য করবো না, দলীয় স্বার্থে কাউকে ব্যবহার করবো না। এগুলোতে আমরা একমত হতে পারি। তিনি জামায়াত আমীরের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের এ সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন।