ডুমুরিয়ার ভোট পুনর্গণনা ও বাতিল ভোট পুনঃপরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে। খুলনা ৫ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট মিয়া গোলাম কুদ্দুস প্রার্থীর পক্ষে এ আবেদন করেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকারের কাছে এ আবেদন করেন।

আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ এর অন্তর্গত ডুমুরিয়া উপজেলার সকল ভোট কেন্দ্রের বৈধ ব্যালট পেপার সমূহ পুনঃরায় গণনা করাসহ নির্বাচনী এলাকার বাতিলকৃত ভোট পুনঃপরীক্ষার আবেদন করছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে তিনি আরো উল্লেখ করেন, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্য সমর্থিত সমর্থিত নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ এর দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার এর নির্বাচনী এজেন্ট। আমি জানাচ্ছি যে, নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ এর অন্তর্গত ডুমুরিয়া উপজেলার ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সঠিকভাবে বৈধ ব্যালট পেপার গণনা না করে ও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দাড়িপাল্লা প্রতীকের বৈধ ব্যালট পেপার বাতিল করে গননা বহির্ভূত রাখিয়া গণনা করায় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগর লবী তুলনায় সামান্য ভোটের ব্যবধানে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে। আমার পোলিং এজেন্টদের আপত্তি সত্ত্বেও প্রিজাইডিং অফিসাররা বৈধ ব্যালট পেপার পুনঃগণনা করেন নাই ও বাতিলকৃত ভোটগুলি পুনঃপরীক্ষা করেন নাই। আমার স্থির বিশ্বাস বৈধ ব্যালট পেপারগুলি পুনঃগণনা ও বাতিলকৃত ভোটগুলি পুনঃপরীক্ষা করিয়া একত্রে পুনঃগননা করিলে আমি বিজয় লাভ করিব।

ন্যায় বিচারের স্বার্থে নির্বাচনী এলাকা খুলনা-৫ এর অন্তর্গত ডুমুরিয়া উপজেলার সকল কেন্দ্রের বৈধ ব্যালট পেপার পুনঃগণনা ও বাতিল ভোট পুনঃপরীক্ষা করিয়া পুনঃগণনার দাবি জানাচ্ছি।

আবেদনকারী মিয়া গোলাম কুদ্দুস বলেন, অফিস ছুটির দিন হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তার সাথে মোবাইলে কথা বলে তার প্রতিনিধির কাছে আবেদনটি জমা দেয়া হয়েছে। তিনি সীলমোহর দিয়ে আবেদনটি রিসিভ করেছেন।