ঢাকার নবাবগঞ্জে পবিত্র শবে বরাতের রাতে ‘হ্যা’ ভোটের ক্যাম্পেইনের আমির হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

যুবদল নেতা কামাল হোসেনের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বলে আহত আমির হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরাও জানান, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় যুব দল নেতা কামাল হোসেন। এই ঘটনার দোহার নবাবগঞ্জের হ্যা ভোটের ক্যাম্পেইনের গ্রুপ ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করছে।

সূত্র জানায়, ছুরিকাঘত যুবক নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।

এ ঘটনায় দোহার ও নবাবগঞ্জ জামায়েত ইসলামী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, যুবদল নেতা কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা কর্মীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।

এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করা হয়। হামলায় তার মাথায় ৬টি সেলাই দেয়া হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১ আসনের এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “পবিত্র শবে বরাতের দিনে একজন যুবককে এভাবে পিটিয়ে জখম করা অমানবিক। এদের মনুষ্যত্ব বলে কিছু নেই।”

তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে, অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে জামায়াতে ইসলামী বাধ্য হবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই যুবদল কর্মী কামাল হোসেন পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।