বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার ও হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে উন্নয়নের দিক দিয়ে একটি মডেল জনপদে রূপান্তর করার স্বপ্ন নিয়ে আমি আজও মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। এই এলাকার প্রতিটি রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার শ্রম, সময় ও ত্যাগ জড়িয়ে আছে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে এই জনপদে উন্নয়নের নামে সরকারি অর্থ লুটপাট হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমরা সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

নিজের অতীত দিনের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি আপনাদের ভোটে দুইবার এমপি নির্বাচিত হয়ে নিজেকে এলাকার উন্নয়ন কাজে উৎসর্গ করেছিলাম। নিজের জন্য কিছু করিনি—মানুষের জন্যই করেছি। সেই সময়ে শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত খাতে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আজও এই এলাকার মানুষ স্মরণ করে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে দাড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আপনারা যদি আমাকে পাশে রাখেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে দুর্নীতিমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলব। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নে গণসংযোগ ও বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খাঁন, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, নায়েবে আমীর পীরে কামেল অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল হক নিজামী ও সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা আ. ন. ম. নোমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফুর রহমান, চুনতীর ১৯ দিনব্যাপী সীরত মাহফিলের মোতাওয়াল্লী মাওলানা আব্দুল মালেক ইবনে দিনার নাজাত, শহীদ অ্যাডভোকেট আলিফের পিতা জামাল উদ্দিন সওদাগর, চুনতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ছলিম উদ্দিন, নায়েবে আমীর মাস্টার মাহমুদুর রহমান,জামায়াত নেতা মোঃ রেজাউল বাহার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী।