ডাকসু ভিপি আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) বলেছেন, এদেশে ভারতীয় দাদাগিরি চলবে না। সীমান্তে হত্যা চলতে দেয়া যাবে না। দিল্লি- লন্ডনের প্রেসক্রিপশনে দেশ চলবে না। আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের টুকেরবাজারস্থ প্রাইমারী স্কুল মাঠে ছাত্র ও যুবসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আমীর মাওলানা ফয়জুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। প্রধান আকর্ষন ছিলেন ডাকসু ভিপি আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)। সমাবেশে সাদিক কায়েম বক্তব্যের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় মোনাজাত করেন।
সাদিক কায়েম বলেন, এই ছাত্র যুব সমাবেশে কোন চাঁদাবাজ নেই, টেন্ডারবাজ নেই, ধর্ষক নেই। আগামীর বাংলাদেশকে চাঁদাবাজ টেন্ডারবাজ মুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। এই আসনের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন একজন যোগ্য ব্যক্তি। তাকে নির্বাচিত করে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
শিক্ষাব্যবস্থার করুন চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে আমূল পরিবর্তনে কাজ করবেন।
নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী আচরণ চলবে না। দেশ চলবে জনগণের ইচ্ছায়। ইনসাফের দেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক এই আহবান জানিয়ে বলেন ডাকসু, জাকসু, রাকসু ও চাকসুতে তরুণ সমাজ ইনসাফের পক্ষে রায় দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে তরুণ সমাজসহ গোটা দেশ ইনসাফের পক্ষে রায় দেবে।
সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীন বলেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোটের জোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। সিলেটবাসী ১৯৪৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০২৬ সালেও সিলেটবাসী সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মাশুক উদ্দিন, সিলেট মহানগর শিবিরের সভাপতি শাহীন আহমদ, ডাকসুর ছাত্র পরিবহন বিষয়ক সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।