বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল। লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়- নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন প্রিজাইডিং অফিসার জাতীয়তাবাদী দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। অভিযোগে উল্লেখিতদের মধ্যে রয়েছেন নিয়াজ মো. নাসির (সভাপতি, জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার্স কল্যাণ সমিতি), শরিফুর রহমান (সিনিয়র অফিসার, অগ্রণী ব্যাংক, নিশিন্দারা শাখা), পরেশ কুমার দাস (সিনিয়র অফিসার, রূপালী ব্যাংক, কলোনী বাজার শাখা), রেজাউল করিম (প্রিন্সিপাল অফিসার, অগ্রণী ব্যাংক, সুলতানগঞ্জ শাখা), রফিকুল ইসলাম (প্রিন্সিপাল অফিসার, সোনালী ব্যাংক, কলেজ রোড শাখা), আরিফ উদ্দিন খান (সিনিয়র অফিসার, জনতা ব্যাংক, চাঁদনী বাজার শাখা), ইসমাইল হোসেন (সিনিয়র অফিসার, জনতা ব্যাংক, গোদারপাড়া শাখা), রিজওয়ান রহমান (প্রিন্সিপাল অফিসার, অগ্রণী ব্যাংক, খান্দার শাখা), আব্দুল্লাহ আল শাফি (সিনিয়র অফিসার, সোনালী ব্যাংক, বগুড়া নর্থ শাখা), মঞ্জুর রহমান (প্রিন্সিপাল অফিসার, জনতা ব্যাংক, এরিয়া অফিস), রাশেদুর রহমান (সিনিয়র অফিসার, সোনালী ব্যাংক, বগুড়া নর্থ শাখা), সাদু মিয়া (প্রভাষক, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান, আজিজুল হক কলেজ), এস. এম. সোফেন রানা (সহকারী অধ্যাপক, বাংলা, আজিজুল হক কলেজ) এবং আর সাইদ (সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান, আজিজুল হক কলেজ)। অভিযোগে বলা হয়, দলীয়ভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োগ দিলে ভোটের নিরপেক্ষতা বিঘ্নিত হতে পারে এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনেও দলীয় লোকদের প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বাতিল করে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তবে এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ সদর আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি, জামায়াত এবং বিডিপি প্রার্থীরা উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।