আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার লক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আগামী ১৪ থেকে ২০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত (বুধবার থেকে মঙ্গলবার) গণসংযোগ সপ্তাহ পালিত হবে ইনশাআল্লাহ।
গণসংযোগ সপ্তাহ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানার সড়ক, পাড়া-মহল্লা, মার্কেট ও জনসমাগমস্থলে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, পথসভা এবং মতবিনিময় সভাসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোটের গুরুত্ব ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজনীয়তা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হল।
১, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
২, সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
৪, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫, যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
৭, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮, দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯, আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
১০, দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
১২, রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষারও সাংবিধানিক স্বীকৃতি হবে।
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সিদ্ধান্তের অংশ। জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং গণভোটে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতেই এই গণসংযোগ সপ্তাহের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সকল পর্যায়ের জনগণের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন আদায় করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
চট্টগ্রাম মহানগরীর সর্বস্তরের জনগণকে গণসংযোগ সপ্তাহের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।