জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম ও নির্যাতন করা হয়েছে। আদর্শিক কারণে শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অসংখ্য মানুষের রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত এই বাংলাদেশ পেয়েছি। নতুন বাংলাদেশ পেলেও দেশটা আজো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের হাতে বন্দী। এই কারণে তো রক্ত দেওয়া হয় নাই। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হচ্ছে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে জনতার লড়াই। এই লড়াইয়ে জিততে হবে। ১০ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে, ইনশাআল্লাহ।
বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর জালালাবাদ থানার ৩৯নং ওয়ার্ডের টুকেরবাজারে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ১০ দলীয় জোট দেশের ৩০০টি আসনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী দিয়েছে, যারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেন। এই জাতিকে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেই সম্পর্কে সকলেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের ওপর ভরসা করলে আপনারা কখনোই হতাশ হবেন না বলে প্রত্যাশা করি। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু এ জাতি উপহার পাবে- যদি ১০ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিত হয়।
সমাজসেবী ও শিক্ষাবিদ মাস্টার আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও ৩৯নং ওয়ার্ড সভাপতি ফয়ছল আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মহানগর জামায়াতের নায়েব আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, বায়তুল মাল সেক্রেটারী মুফতী আলী হায়দার, নেজামী ইসলাম পার্টি সিলেট মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়া আহমদ খান, জালালাবাদ থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, সদর উপজেলা আমীর নাজির উদ্দিন, বিমানবন্দর থানা আমীর শফিক ইসলাম মফিক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরীর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, জালালাবাদ থানা সেক্রেটারি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, ৩৯নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি সাব্বির আহমদ, নোয়াগাঁও গ্রামের মুরব্বি বাদশা মিয়া, পীরপুরের মুরব্বি পারভেজ মিয়া, নানু মিয়া, সাজিদ মিয়া, মখলিছ মিয়া, টুকের গাঁও মুরব্বি মু. জাকিরয়া, বদরুল আলম, শাহপুরের মুরব্বি মুরাদ আহমদ, কয়েছ আহমদ ও গৌড়িপুরের মুরব্বি আকাব উদ্দিন প্রমুখ।