জামায়াতে ইসলামীর দলীয় অর্থায়নে ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় দরিদ্রদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার রাতে ঢাকা-৪ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনেনর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় সৈয়দ জয়নুল আবেদীনে বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি সমাজ সেবার অংশ হিসেবে ব্যাপক ভিত্তিক সামাজিক কার্যাক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে জামায়াতে ইসলামী সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। কারণ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে মানুষ হিসেবে সমাজে আমরা সকলেই সমান।

সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, ঢাকা-৪ হচ্ছে বঞ্চিত-অবহেলিত এলাকা। এই এলাকাকে নিরাপদ ও আধুনিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় কোনো চাঁদাবাজি, কোনো সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, দুর্নীতি চলবে না।

তিনি বলেন, ‘‘জামায়াতে ইসলামীর এমপিরা সেবকের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করবে”। নির্বাচিত হওয়ার আগেই আমীরে জামায়াত ঘোষণা দিয়েছেন আমরা শাসক নয় সেবক হতে চাই। জনগণের আমীরে জামায়াতের সেই ঘোষণায় আস্থা ও বিশ্বাস রেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু জনগণে ভোট কারচুপি করে ১১ দলীয় জোটকে পরাজিত করা হয়েছে। কারচুপির বহু প্রমাণ ইতোমধ্যে জাতির সামনে উম্মোচন হয়েছে। ঢাকা-৪ আসনের জনগণের ভোট নিয়েও নানারকম টালবাহানার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এখানকার জনগণ নিজেদের ভোটের হিসাব বুঝে নিতে সজাগ ছিল। যার কারণে দিনভর নাটকীয়তা চালিয়েও ঢাকা-৪ আসনে জনগণের ভোট নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেনি। জনগণের ভোটের হিসাব বুঝিয়ে দিতে পরিশেষে প্রশাসন বাধ্য হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কদমতলী পশ্চিম থানা আমীর মো. কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কদমতলী পূর্ব থানা আমীর মো. আব্দুর রহিম জীবন, কদমতলী মধ্য থানা আমীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। আরও বক্তব্য রাখেন মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা নেছার উদ্দিন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে আবুল হাশেম, আব্দুল হান্নান পাটোয়ার,কাজী মনিরুল ইসলাম, মাওলানা হাসান উল্লাহ, মাসুদ রানা ও মো. মনিরুজ্জামান, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাজী মাইনুদ্দিন প্রমুখ। সভা শেষে ২২০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।