ঢামেকে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলে প্রতিবাদে জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের চিকিৎসা সেবা বন্ধ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে এবং দু’জনকে আটক করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগের নাজমা বেগম নামের এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারধর করেছে রোগীর স্বজনরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মেডিসিন বিভাগে এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতালজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ইন্টার্ন চিকিৎসক মোহাম্মদ শিহাব জানান, এক রোগী মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বজনরা ডা. তৌহিদ, ডা. রাহাত, ডা. বাপ্পি ও ডা. নাঈমকে কিল-ঘুসি মারে। পরে তাদেরকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা আসেন।
তিনি আরো জানান, হাসপাতালের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে, চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। হাসপাতালের পরিচালক না আসা পর্যন্ত এই গেট খোলা হবে না বলেও জানান তিনি।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ ফারুক জানান, রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের সাথে রোগীর স্বজনদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্য দু’জনকে আটক করে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হাসপাতালে র্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা গেট বন্ধ করে রেখেছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে এই বিষয়ে জানার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ না করায় যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।