সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : প্রায় জন শূন্য বিকাল।কোথাও মানুুষের দেখা নেই। দোকানে পাট ও চায়ের দোকানগুলোতে দু- চার জন গল্প গুজবে ব্যস্ত হঠাৎ তাড়াশ উপজেলার ৭নং মাধাইনগর ইউনিয়নের কালিবাড়ি বাজার সরব হয়ে উঠল। আশেপাশের মানুষ ছুটে আসতে লা’গলো তার দিকে তিনি হলেন রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার নির্বাচনী এলাকার গণমানুষের নেতা, অধ্যাপক শায়েখ ড. আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুস সামাদকে এক নজর দেখার জন্য। গতকাল সোমবার বিকালে তিনি মাধাইনগর ও মধারাপুর বাজারে এসে কাউকে তিনি বুকে জড়িয়ে নিলেন আবার কারও সঙ্গে হাত মিলিয়ে জানতে চাইলেন তারা কেমন আছেন। জবাবে পঞ্চশোর্ধে এক বৃদ্ধ বলেন, আপনি কেমন আছেন, উত্তর এলো আমরা খুব ভালো নেই। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন তাদের কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, একের পর এক নির্বাচন হয় এলাকার জনগণ ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচন করে কিন্ত নির্বাচিত হয়ে তারা কোন উন্নয়ন করে না। এই মূহুর্তে ক্ষমতার পরিবর্তন দরকার বলে অনেকেই জানান। তারা আরো বলেন আমরা স্বাধীনতার পর থেকে সব দলকে দেখেছি এবার দেখবো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে গণসংযোগ কালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, তাড়াশ উপজেলার থানা আমির খ,ম, সাকলাইন,পৌর সেক্রেটারি অলী আক্কাস আকাশ, তাড়াশ সদর ইউনিয়নের সভাপতি আনোয়ার হোসেন,মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাধাইনগর ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল বারী সেক্রেটারি খায়রুল ইসলাম, কালিবাড়ি ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুবেল, সেক্রেটারি মুহারম হোসেন ,৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি আনোয়ার, সেক্রেটারি ইসমাইল মোল্লা প্রমুখ।
এরপর তিনি নেতা কর্মীদের নিয়ে ঝুরঝুরি ও কেশনাদিঘি বাজারে গণ সংযোগ শেষে বাদ মাগরিবে মুথারাপুর বাজারে এসে শত শত নেতা কর্মীদের নিয়ে এক গণসংযোগ বক্তব্য রেখে দাঁড়ি পাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন। থানা আমির জননেতা খ,ম সাকলাইনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, রায়গঞ্জ উপজেলা সলঙ্গা থানার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের সভাপতি অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর, সলঙ্গা থানার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ আব্দুল বারি বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল কুদ্দস প্রমুখ।