বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার ও হুইপ শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, “সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর। এ বিষয়টি এখন দেশবাসীর কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার। তাই আজ সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে সমবেত হচ্ছেন। কিন্তু ইসলামবিদ্বেষীরা বিষয়টি সহ্য করতে পারছে না। তারা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানান প্রকার প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সকল ষড়যন্ত্র-অপপ্রচার উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।”
গতকাল সোমবার বিকালে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী গৌতম বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনগণ আমাকে দুইবার এমপি নির্বাচিত করেছিলেন। সে সময়ে সড়ক-যোগাযোগ, শিক্ষা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বন্যা-নিয়ন্ত্রণ, ব্রিজ-কালভার্টসহ নানামুখী উন্নয়ন হয়েছে। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষের জীবনমান বদলে দিতে যে উন্নয়ন যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখনো স্মরণ করেন সাধারণ মানুষ। সামনে সুযোগ পেলে আবারও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবো।”
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক-মানুষের অধিকার, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সেবা প্রদানই তাদের রাজনীতির মূল অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের টীম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম লুৎফর রহমান, লোহাগাড়া জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল হক নিজামী, সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা আ ন ম নোমান, চুনতি ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ছলিম উল্লাহ, গৌতম বিহারের অধ্যক্ষ জয শ্রী ভিক্ষু, নারিশ্চা বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ শিল মিত্র, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভানু বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক বিমল বড়ুয়া ও সদস্য নিরঞ্জন বড়ুয়া। সভায় নায়েবে আমীর মাস্টার মাহমুদুর রহমান ও জামায়াত নেতা রেজাউল বাহার রাজা। এছাড়াও শাহজাহান চৌধুরী দিন ব্যাপী চুনতী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এসময় লোহাগাড়া জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা আ ন ম নোমানসহ জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।