নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ঢাকা ৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ তোলেন। তিনি ভোট পুন:গণনার দাবি জানান ।
হাজী এনায়েত বলেছেন," আমার মনে হয় ব্যাপক কারচুর হইছে। কারণ আমাদের পোলিং এজেন্টদেরকে থাকতে দেয় নাই। এটা তো বিশাল একটা অনিয়ম, আর আমাদের সিটের মধ্যে পুলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নাই। সাক্ষরযোগ্য ছিল আমরা পাইনি। দুই চারটা পাওয়া গেছে।"
কারচুপির জন্য আদালতে মামলা করবেন বলে জানান জামায়াতের এ প্রার্থী।
প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, " প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রশাসন সঠিকভাবে আপনার সহযোগিতা করতে পারেন নাই। বা উনারা অনেক ক্ষেত্রে ভয়েও চলে গেছে। আমাদের সাথেও যোগাযোগ করে নাই। পরবর্তী জানছি যে তারা ভয়ে আর এদিকে আসার সাহস পায় নাই। "
নিজের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫০ শতাংশ বের হয়ে গেছে ভোট করার আগে এবং ভোট চলাকালীন সময় প্রায় ৪০-৫০ জন আপনার এজেন্ট আমাদের ছিল না। আমি ঘুরে ঘুরে দেখছি তাদেরকে বের করে দেওয়া হইছে। ফিরে যাওয়া মানে এজেন্ট বিহীন ভোট হইছে।
তিনি আরো অভিযোগ তোলেন, "অনেক পোলিং এজেন্টদের রেজাল্ট সিটের কপি সরবরাহ করা হয়নি। ভোট গণনার সময় গণনার মাঝামাঝি এসে কারচুপির উদ্দেশ্যে গণনাকে অহেতুক দেরি করা হয়েছে। আমার এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।"
পিজাইডিং অফিসাদের এ সমস্ত অনিয়মকে তুলে ধরে গতকালই লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এনায়েত অভিযোগ করে বলেন, " ভোট ইঞ্জিনিয়ার করা হয়েছে। গণনার সময় আমাদের রেজাল্ট প্রথম দিকের রেজাল্ট গুলো সুন্দরভাবে আসতেছিল । হঠাৎ করে দেখা গেল এক দুই ঘন্টা রেজাল্ট সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেল। সেই রেজাল্ট এখনো পুনরায় আমাদেরকে জানানো হয়নি ।
আজকে হঠাৎ করে দেখলাম আমরা যে রেজাল্ট তৈরি করে উনারা আমাদের বিপক্ষকে ঘোষণা করে দিছেন।"