# কোনো ম্যাকানিজমে নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত - নাহিদ ইসলাম

# ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সৌভাগ্য, এমপি নয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন- রাশেদ প্রধান

# দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতের প্রতি মানুষের আস্থা আছে - কর্নেল (অব) হাসিনুর রহমান

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করার আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নারী-পুরুষ সবাই মিলে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সব সহ্য করব, মা-বোনদের ইজ্জতের ওপর আঘাত সহ্য করা হবে না। নারীর প্রতি কোনো ধরনের সহিংসতা চলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, খুন, ধর্ষণ, ব্যাংক ডাকাতি চলতে পারবে না। সমাজের কোনো স্তরে বৈষম্য থাকবে না। ইনসাফ ভিত্তিক বৈষমীহীন বাংলাদেশ গড়তে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় মিরপুর-১০ আদর্শ স্কুল মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ জনসভার মাধ্যমে দশ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলো।

সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও মিছিলসহকারে জনসভাস্থলে আসতে থাকে। দুপুরের আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে উঠে। দাঁড়িপাল্লার স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত সমাবেশস্থল। ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা। সমাবেশ ঘিরে পুরো মিরপুর এলাকায় মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ লক্ষ্য করা গেছে।

ডা. শফিকুর রহমান নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের বিদ্যামান সমস্যা গুলো তুলে ধরে বলেন, এই এলাকায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই এলাকায় একটি সরকারি হাসপাতাল নেই। এমনকি উন্নতমানের একটি বেসরকারি হাসপাতালও নাই। এখানে নেই একটি আন্ডারগ্যাজুয়েট কলেজ বা কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। এই এলাকার প্রতিটি অলি-গলিতে ড্রেনের ময়লার গন্ধে বসবাস করা অত্যন্ত কঠিন। গ্যাস সংকট নিত্যদিনের সঙ্গী। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী এই আসনে নির্বাচিত হলে জনগণের মৌলিক এসব সমস্যা সমাধান করে জনগণের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি আরও বলেন, মনিপুর হাইস্কুল দেশের সেরা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে মনিপুর হাইস্কুলকে সেরা তালিকা থেকে মুছে দিয়েছিল। তিনি, আগামীতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আমি আজ এখানে জামায়াতের আমীর হিসেবে দাঁড়াইনি। আমি দাঁড়িয়েছি রিকশা-ভ্যান-ঠেলা চালক, গার্মেন্টস কর্মী, দোকান-কর্মচারী ও সাধারণ শ্রমিক-জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। যারা বৈষম্যের শিকার আমি তাদের হয়ে জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। আমি চব্বিশের বিপ্লবীদের হয়ে দাঁড়িয়েছি। যেই বিপ্লবীদের জীবন আজ হুমকির মুখে। এক হাদিকে হত্যা করে ১৮ কোটি জনগণের হৃদয়ে হাদির জন্ম হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ হাদি হতে প্রস্তুত। হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদেশে আর কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। আধিপত্যবাদ-ফ্যাসিবাদ মুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। আমরা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের আর কোনো ছায়াও দেখতে চাই না। ফ্যাসিবাদী নতুন জামা পড়ে কেউ আসলে ৫ আগস্টের মতোই তাদরেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি বলেন, যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল তারা ভোট ডাকাত। আমরা আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না। বিগত ৩টি নির্বাচন নয় এমনও মানুষ আছে যারা জীবনেও ভোট দিতে পারেনি। কারণ তাদের ভোট ডাকাতি করা হয়েছিল।

জামায়াত আমীর বলেন, যারা নিজের দলের লোকদের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজি, পাথর মেরে হত্যা, গাড়িচাপা দিয়ে লোক হত্যা, এগুলো থেকে যারা নিজের কর্মীকে বিরত রাখতে পারবে আশা করি তারা আগামীর বাংলাদেশ উপহার দিতে পারবে। আর যারা এগুলো করতে পারবে না তারা যতই স্বপ্ন দেখাবেন জাতি তাদের মতলব বুঝতে মোটেই কোনো অসুবিধা হবে না।

তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল এবং তাদের যারা মূল দোসর ছিল, তাদের দেখা যায় না। যারা ফ্যাসিবাদের কবলে পিষ্ট হয়েছিলেন, আমরা যারা সেই কষ্ট ভোগ করেছি মেহেরবানী করে জনগণকে সেই কষ্টটা আর দেবেন না। কিন্তু এখনো দিচ্ছেন। আমরা দেখতে চাই এগুলো বন্ধ হচ্ছে। যদি বন্ধ না হয় আগামী ১২ তারিখ জনগণ হ্যাঁ ভোট দেবেন পরিবর্তনের আকাংক্ষায় ঘুনে ধরা রাজনীতির কাঠামো পরিবর্তনে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, ব্যাংক ডাকাতদের বিরুদ্ধে, মা-বোনদের ইজ্জতে যারা হাত দেয়, তার বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এক ট্যাক্স সরকার আদায় করে জনগণের জন্য ব্যয় করে আরেক ট্যাক্স একটি দলের নেতাকর্মীরা আদায় করে। তারা সেই ট্যাক্স দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের থেকেও আদায় করে। এমনকি একজন রিকশা-ভ্যান-ঠেলাওয়ালার কাছ থেকেও তারা চাঁদাবাজির সেই ট্যাক্স আদায় করে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক চাঁদাবাজির ট্যাক্স চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কাউকে এক পয়সাও চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোট নির্বাাচিত হলে এই বিজয় কোনো পরিবার বা কোনো দলের হবে না উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, এই বিজয় হবে জনগণের। ১০ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে জনগণের সরকার গঠিত হবে। তাই সারাদেশে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যুবক, ও তরুণ-তরুণীদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আমরা পেশাগত শিক্ষা দিতে চাই। তাদের নৈতিক শিক্ষা দিতে চাই- যা তাদের দেশপ্রেমিক হতে শেখাবে এবং স্বার্থপর নয়, আত্মকেন্দ্রিক নয়, সার্টিফিকেট সর্বস্ব নয়। তাদের দক্ষতার হাত গড়ে তাদের হাতেই বাংলাদেশ তুলে দেবো। খয়রাত দিয়ে তাদের অপমান করতে চাই না।

আমীরে জামায়াত মঞ্চে থাকা এনসিপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের হাতে শাপলা কলি ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন। পরে তিনি ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক তুলে দেন। এসময় উপস্থিত জনতা হাত উচিয়ে তাদের স্বাগত জানান ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আমীরে জামায়াত সকলের বিজয় কামনা করেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (১০ দল সমর্থিত ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) নাহিদ ইসলাম বলেন, ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমীর এই পরিচয় তাঁর জন্য যথেষ্ট নয়। তিনি জুলাই যোদ্ধাদের প্রেরণা, তিনি জালিমের কারাগারে জুলুমের শিকার মজলুম জননেতা, তিনি মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, কোনো ম্যাকানিজমে নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত আছে। আমাদের জাতীয় লড়াই শেষ হয়ে যায়নি। আধিপত্যবাদ-ফ্যাসিবাদের শক্তি এখনো দিল্লিতে বসে দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, আমাদের কাজ এখনো অসম্পন্ন রয়ে গেছে। আগামী নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করতে পারলে সেই কাজ সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষক কার্ড দিয়ে যদি জনগণকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা থাকত তবে ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দিয়ে তাদেরকে সংসদে নেওয়ার চেষ্টা করতো না। যারা বস্তিতে আগুন লাগিয়েছে তারাই বস্তিবাসীকে ফ্ল্যাটের স্বপ্ন দেখাচ্ছে-এটা হাস্যকর। আমরা নির্বাচিত হলে ফ্ল্যাট নয় আগে বস্তিবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করবো। নাহিদ ইসলাম বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার বদলের নির্বাচন নয়, এবারের নির্বাচন দেশ পরিবর্তনের নির্বাচন। পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ আর সন্ত্রাসকে না বলতে দেশবাসীকে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সহস্রাধিক প্রাণের বিনিময়ে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। সেই বিপ্লব পরবর্তী যিনি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন সেই মানবিক নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে আগামীর মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আজ সারাদেশে দাঁড়িপাল্লার প্রতি গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, অনেক কিছু দেখা হয়েছে, দেখা শেষ। এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। একবার জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে দেখতে হবে সোনার বাংলাদেশ কীভাবে গঠিত হয়। তিনি দেশবাসীকে ভোট দেওয়ার পর সেই ভোট গুনে বুঝে নেওয়ার আহ্বান জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, প্রায় দুই দশক পর বাংলাদেশে একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি। তিনি বলেন, গণভোটের প্রচারণায় নতুন জালেমেরা হামলা চালিয়েছে। মসজিদের ভেতরে এবং আমাদের বোনদের উপরও হামলা চালিয়েছে। যারা পাথর দিয়ে মানুষ হত্যা করে, যারা চাঁদাবাজি করে তাদের জন্য ‘না’ হলেও দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য ‘হ্যাঁ’। নিজে একটি আসনে নির্বাচনের কথা থাকলেও জোটের স্বার্থে নির্বাচন না করে তিনি ৩০০ আসনে প্রচারণায় অংশ নিতে পেরে গর্ববোধ করে বলেন, ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সৌভাগ্য। এই আসনের মানুষ এমপি নয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন। আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন ডা. শফিকুর রহমান।

কর্ণেল (অব) হাসিনুর রহমান বলেন, ৭১ এ রক্ত দিয়েছি, কিন্তু ফসল তুলতে পারি নাই। আওয়ামী লীগ সকল ফসল তুলে নিয়ে গেছে। এবার আবার রক্ত দিয়েছি। যারা রক্ত দিয়েছে তারাই দেশে শাস্থি প্রতিষ্ঠা করবে। দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতের প্রতি মানুষের আস্থা আছে। জনগন দশ দলীয় জোটকে বিজয়ী করবে। তিনি সকলকে দশ দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোট দেয়ার জন্য আহবান জানান।

এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি, কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসান মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মজলিসে শূরার সদস্য মাওলানা তাহিদুজ্জামান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ঢাকা-১৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমান, কর্ণেল (অব) হাসিনুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগরী উত্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি আহসান উল্লাহ কাসেমী, ঢাকা-১৭ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান, ঢাকা-১৬ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কর্ণেল আব্দুল বাতেন।

ঢাকা-১৫ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুর রহমান মুসার সভাপতিত্বে ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় জনসভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন শহীদ আব্দুল হান্নান খানের ছেলে ডা. সাইফ খান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মো. তসলিম, কাফরুল দক্ষিণ থানা আমীর আনোয়ারুল করিম, কাফরুল পশ্চিম থানা আমীর আব্দুল মতিন খান, কাফরুল উত্তর থানা আমীর রেজাউল করিম মাহমুদ, জুলাইযোদ্ধা কাজী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।