‘‘নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষরা অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত। আমি জেনে শুনে বলছি। বাংলাদেশের মানুষ যে নিরাপত্তা শঙ্কায় রয়েছে এটা নিয়ে কী কর্তৃপক্ষ কোনো আলোচনা করেছে? তাদের মধ্যে কী কোনো সমন্বয় হয়েছে? তারা কোনো কৌশল নিয়েছেন প্রতিকার করার?’’ এই প্রশ্নগুলোর জবাব সরকারকে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব আয়োজিত যৌথ প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মবতন্ত্র শুরু হয়েছে বাংলাদেশের কেন্দ্রস্থলে। সচিবালয়ের অভ্যন্তরে মবোক্রেসি হয়েছে, এটা দিয়ে শুরু। দখলবাজী, দলবাজী সচিবালয়ের অভ্যন্তরে হয়েছে। রাষ্ট্রকাঠামোর ভেতরে মবতন্ত্র দ্রুতগতিতে বিকশিত হয়েছে। রাষ্ট্রকাঠামোর দায়িত্বে যারা, তারা মব ভায়োলেন্স ক্ষমতার অন্যতম স্তম্ভ বিবেচনা করে তাদের চোখের সামনে যেগুলো হয়েছে সেগুলো প্রতিহত করতে ব্যাহত হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে যে অবস্থা হয়েছে এটা প্রতিহত করা সকলের দায়িত্ব। কিন্তু এটার মূল দায়িত্ব সরকারের। সরকারের কাছে প্রশ্ন- আজকে কিন্তু মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার যন্ত্রটা কোথায়? বাংলাদেশে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেকগুলো জাতীয় প্রতিষ্ঠান, কর্তৃপক্ষ রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা সংস্থা, সেনাবাহিনী, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শক্তিবর্গ। সবথেকে আশ্চর্য এসব ছাপিয়ে ইন্টারনেস্টিং একটা ক্ষমতার কেন্দ্র দেখলাম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। এই যে কাঠামো- কে কী দায়িত্বে আছে? কার সমন্বয়ে কী চলছে?