আগামীকাল (০৩ জুন) থেকে বিদ্যুতের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে যাচ্ছে এবং এই নতুন দাম জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক বিদ্যুৎ খাতের ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে এই নতুন ট্যারিফ আদেশ জারি করা হতে পারে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ১ টাকা থেকে ১ টাকা ২৫ পয়সা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সেচ থেকে শুরু করে শিল্প, লাইফলাইনসহ সব ধরণের গ্রাহকের দাম বাড়ছে বলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সুত্র নিশ্চিত করেছে। নতুন দর ১ জুন থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

যারা মাসে ৭০ থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তারা 'লাইফলাইন' বা গরিব গ্রাহক ক্যাটাগরিতে আছেন। এই ক্যাটাগরির গ্রাহকদের বিদ্যুতের বিলের স্তর অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের বিলিংয়ের স্ল্যাব বা ধাপ পরিবর্তনেরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারী মধ্যম আয়ের গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত খরচের চাপ তৈরি হতে পারে।

বিইআরসির এই ওই আদেশ দুই দিক থেকে রেকর্ড করতে যাচ্ছে। একদিকে ঝড়োগতিতে অর্থাৎ ১৯ কর্মদিবসের মধ্যে আদেশ প্রদান। অন্যদিকে অতীতে গ্রাহক পর‌্যায়ে কখনও এতো বেশি পরিমাণে দাম বাড়ানোর নজীর নেই। ২০১১ সালে ১ ডিসেম্বর পাইকারিতে সর্বোচ্চ ২১.৪৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর‌্যায়ে ১৪.১৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর রেকর্ড রয়েছে।

একইসঙ্গে শুনানির পর মাত্র ৪ কর্মদিবসে আদেশ দেওয়ার ঘটনাও নজির বিহীন। গত ২০ এবং ২১ মে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গণশুনানি গ্রহণ করা হয়। এরপর সরকারি কর্মদিবস ছিল মাত্র ৪দিন। বন্ধের মধ্যেই বিশেষ ব্যবস্থায় গুছিয়ে আনা হয়েছে আদেশের প্রস্তুতি।